গবেষণা বলছে, আইন প্রণয়নের প্রথম ১৫ মাসের তুলনায়, পরবর্তী ৯ মাসে এর প্রয়োগ হয়েছে বেশি। প্রথম ১৫ মাসে গড়ে প্রতি মাসে ৬০ জনের বিরুদ্ধে মামলা হতো, পরের ৯ মাসে এ সংখ্যা গিয়ে দাঁড়ায় গড়ে ১৪৭ জনে।

গবেষণাটি পরিচালিত হয়েছে যুক্তরাষ্ট্রের ইলিনয় স্টেট ইউনিভার্সিটির রাষ্ট্রবিজ্ঞান বিভাগের ডিস্টিঙ্গুইশড প্রফেসর ও সিজিএসের উপদেষ্টা আলী রিয়াজের নেতৃত্বে।

সাখাওয়াত হোসেন বলেন, ডিজিটাল নিরাপত্তার প্রয়োজন আছে। ১০ কোটি মানুষের যে ভোটার তালিকা, সেখানে সংবেদনশীল তথ্য আছে। সেগুলোর সুরক্ষা প্রয়োজন। কিন্তু ডিজিটাল নিরাপত্তা আইনের কারণে এখন আরও অনেক বিষয়ে চিন্তা করতে হচ্ছে।

উদাহরণ দিতে গিয়ে সাখাওয়াত হোসেন বলেন, ‌‘এখন আর্টিকেল লেখার সময় বহু চিন্তা করতে হয়। আমি ফেসবুক রাখি না। ই-মেইলে অনেকে অনেক কিছু লিখে পাঠান। আমি উত্তর দেই না বললেই চলে। বই লিখতে গেলেও চিন্তা করতে হয়। তাই ভ্রমণকাহিনি লিখি। অন্য কিছু লিখতে সাহস পাই না।’

নতুন করে আরও যে আইন, প্রবিধান ও নীতিমালা আসছে সেগুলো নিয়েও উদ্বেগের কথা তিনি জানান।

সাংবাদিকদের প্রশ্নের জবাবে আলী রিয়াজ অর্থনীতিবিদ রেহমান সোবহানকে উদ্ধৃত করে বলেন, তিনিও একটি অনুষ্ঠানে সেদিন বলেছেন, তাঁকে এখন লিখতে গেলে চিন্তা করতে হয়। অথচ মুক্তিযুদ্ধের গোড়া থেকে তিনি যুক্ত ছিলেন।

আলী রিয়াজ বলেন, নতুন যে ওটিটি ও সামাজিক যোগাযোগমাধ্যম নিয়ে আইন হচ্ছে, সেটি হলে মানুষ আর কথাই বলবে না। তাই মামলার সংখ্যাও কমে যাবে। তখন হয়তো সরকার বলবে, ‌আলী রিয়াজ বলেছিলেন মামলার সংখ্যা বেড়ে গেছে, এখন তো মামলা হচ্ছে না, কমে গেছে।

বাংলাদেশ থেকে আরও পড়ুন
মন্তব্য করুন