বিজ্ঞাপন
বিজ্ঞাপন

এ ছাড়া বঙ্গবন্ধু সেতুতে ট্রেন চলাচলের জন্য রেল কর্তৃপক্ষের কাছ থেকে বছরে এক কোটি টাকা করে পায় সেতু বিভাগ।

এদিকে মুক্তারপুর সেতুতে কার–টেম্পোর টোল ধরা হয়েছে ৫০ টাকা, আগে ছিল ৪০ টাকা। ছোট ও বড় বাসের টোল ৫০ টাকা করে বাড়িয়ে যথাক্রমে দেড় শ ও আড়াই শ টাকা করা হয়েছে। ট্রাকের টোলও ৫০ টাকা বেড়েছে। আগে ট্রেইলরের জন্য আলাদা টোল হার না থাকলেও নতুন করে তা যুক্ত হয়েছে। এগুলোর শ্রেণিভেদে টোলের হার ৬০০ থেকে ১০০০ টাকা নির্ধারণ করা হয়েছে।

পরিবহন খাতের মালিক-শ্রমিকেরা বলছেন, টোলের হার বৃদ্ধি পেলে এসব সেতু ব্যবহারকারীদের ভাড়াও বাড়বে। বাংলাদেশ সড়ক পরিবহন কর্তৃপক্ষ (বিআরটিএ) বাসভাড়া নির্ধারণ করার সময় টোলের ব্যয় আলাদা যোগ করার কথা বলে দেয়। অন্যদিকে পণ্য পরিবহনের সরকারি নির্ধারিত ভাড়া নেই। ফলে মালিক-শ্রমিকদের সঙ্গে ব্যবহারকারীরা দর-কষাকষি করে ভাড়া ঠিক করেন। যাত্রীবাহী বড় বাস ও মালবাহী যানবাহনের টোলই সবচেয়ে বেশি বাড়ানো হয়েছে।

সেতু কর্তৃপক্ষ বলছে, দীর্ঘদিন টোলের হার বাড়ানো হয়নি। কিন্তু সেতুর রক্ষণাবেক্ষণ খরচ বেড়ে যাওয়ায় বাড়ানো হয়েছে টোলের পরিমাণ।

বাংলাদেশ থেকে আরও পড়ুন
মন্তব্য করুন
বিজ্ঞাপন
বিজ্ঞাপন