default-image

শিশুরা নিজেরা এঁকেছে মুক্তিযুদ্ধ ও গ্রামবাংলার ছবি। সেই ছবি নিজেরাই উপহারও দিয়েছে। এ উপহার তারা দিয়েছে রাষ্ট্রপতি আবদুল হামিদকে। শিশুদের কাছ থেকে সেই শুভেচ্ছা উপহার খুশি মনেই গ্রহণ করেছেন রাষ্ট্রপতি। শুধু তা-ই নয়, রাষ্ট্রপতি শিশুদের সঙ্গে ফটোসেশনেও অংশ নেন। শিশুরা বঙ্গভবনের বিভিন্ন স্থানে ঘুরে বেড়ায়। খেলাধুলা করে। দুপুরের খাবার খায়। তারপর তারা রাষ্ট্রপতিকে গান শোনায়। নাচ দেখায়।
আজ রোববার সারা দিন এই ছিল বঙ্গভবনের চিত্র। রাষ্ট্রপতি দিনভর মেতে ছিলেন শিশুদের সঙ্গে। রাষ্ট্রপতি শিশুদের উদ্দেশে বক্তব্যও দেন।
বাংলাদেশ শিশু একাডেমীর উদ্যোগে দেশের বিভিন্ন অঞ্চলের শিশুরা এ মিলনমেলায় অংশ নেয়। শিশু একাডেমীর এক বিজ্ঞপ্তিতে এ কথা জানানো হয়েছে। সকালে একাডেমী প্রাঙ্গণ থেকে শিশু একাডেমীর বিভিন্ন জেলা শাখা ও কেন্দ্রীয় কার্যালয়ের ২৬০ জন শিশু ও অন্য প্রতিনিধিদের যাত্রা শুরু হয়। দুপুরে শিশুদের পরিবেশিত সূচনা সংগীত ও নৃত্য দিয়ে শুরু হয় মিলনমেলার প্রথম পর্ব। এতে স্বাগত বক্তব্য দেন মহিলা ও শিশুবিষয়ক মন্ত্রণালয়ের সচিব তারিক-উল-ইসলাম। বিকেলে সাংস্কৃতিক অনুষ্ঠানে সংগীত, আবৃত্তি, নৃত্য, জারিগান ও নৃত্যনাট্য পরিবেশিত হয়। এরপর বেশ কিছু সময় রাষ্ট্রপতি শিশুদের সঙ্গে কথা বলেন ও গল্প করেন। মহিলা ও শিশুবিষয়ক মন্ত্রণালয়ের প্রতিমন্ত্রী মেহের আফরোজ চুমকী, বাংলাদেশ শিশু একাডেমীর চেয়ারম্যান সেলিনা হোসেন, একাডেমীর পরিচালক মোশাররফ হোসেন বঙ্গবভনের বিভিন্ন আনুষ্ঠানিকতায় উপস্থিত ছিলেন ও বক্তব্য দেন। শিশুদের সঙ্গে মিলনমেলায় মন্ত্রণালয় এবং একাডেমীর অন্য কর্মকর্তারাও অংশ নেন।

বিজ্ঞাপন
বাংলাদেশ থেকে আরও পড়ুন
মন্তব্য করুন