বিজ্ঞাপন

বিভাগীয় স্বাস্থ্য বিভাগ জানায়, শুক্রবার ২৪ ঘণ্টায় নতুন করে ২৭ জনের করোনা শনাক্ত হয়। এ নিয়ে এই বিভাগে মোট শনাক্ত রোগীর সংখ্যা দাঁড়িয়েছে ১৫ হাজার ৮৯২। এর মধ্যে বরিশাল জেলায় নতুন শনাক্ত ৫ জন নিয়ে ৭ হাজার ১৬৮ জন, পটুয়াখালীতে নতুন ৩ জন নিয়ে ২ হাজার ৩৪১ জন আক্রান্ত হয়েছেন। ভোলায় নতুন দুজন নিয়ে ১ হাজার ৯৬৬ জন, পিরোজপুরে নতুন ৬ জন নিয়ে ১ হাজার ৭৩৩, বরগুনায় নতুন ৩ জন নিয়ে ১ হাজার ৩০৮ ও ঝালকাঠিতে নতুন ৮ জন নিয়ে ১ হাজার ৩৭৬ জনের করোনা শনাক্ত হয়েছে।

বরিশাল বিভাগীয় স্বাস্থ্য অধিদপ্তরের পরিচালক বাসুদেব কুমার দাস এই তথ্য নিশ্চিত করেন।

বরিশালের শের-ই-বাংলা মেডিকেল কলেজ হাসপাতাল সূত্রে জানা যায়, শের-ই-বাংলা মেডিকেল কলেজ হাসপাতালে বরিশাল নগরের জিয়া সড়ক এলাকার বাচ্চু হাওলাদার (৬৫) নামের এক ব্যক্তি করোনা পজিটিভ হয়ে মারা গেছেন। এ নিয়ে বিভাগে মোট মৃত্যু হয়েছে ২৮৯ জনের। এ ছাড়া গত ২৪ ঘণ্টায় এই হাসপাতালের করোনা ইউনিটে ১৭ জন ভর্তি হন। এর মধ্যে উপসর্গ নিয়ে আইসোলেশনে ভর্তি হওয়া দুজন মারা যান। এই হাসপাতালের করোনা ওয়ার্ডে শুক্রবার দুপুর পর্যন্ত ৭১ জন চিকিৎসাধীন ছিলেন। যাঁদের মধ্যে ১৪ জনের করোনা পজিটিভ ও ৫৭ জন লক্ষণ নিয়ে আইসোলেশনে চিকিৎসাধীন রয়েছেন।

শের-ই-বাংলা মেডিকেল কলেজের আরটি–পিসিআর ল্যাবে ১৮৮ জনের করোনার নমুনা পরীক্ষা হয়। এর মধ্যে ৪২ জনের করোনা পজিটিভ হয়। ১৪৩ জনের প্রতিবেদন আসে নেগেটিভ। গত ২৪ ঘণ্টায় এই ল্যাবে করোনা শনাক্তের হার ছিল ২২ দশমিক ৩৪ শতাংশ।

স্বাস্থ্য বিভাগের উপাত্ত পর্যালোচনা করে দেখা যায়, বরিশাল বিভাগে করোনার প্রথম ঢেউয়ের চেয়ে দ্বিতীয় ঢেউয়ে সংক্রমণ ও মৃত্যু দুটিই বেশি ছিল। বিভাগে করোনার দ্বিতীয় ঢেউ শুরু হয় মার্চের দ্বিতীয় সপ্তাহে। এরপর করোনা রোগীর সংখ্যা বাড়তে থাকে। মার্চে বিভাগে করোনা শনাক্ত হয় ৫১৬ জনের। এর মধ্যে ৮ জন মারা যান। এপ্রিলে শনাক্ত হওয়া ৩ হাজার ২৯৬ জনের মধ্যে মারা যান ৫২ জন। মে মাসে শনাক্তের সংখ্যা কিছুটা কমে দাঁড়ায় ৯১৩ জনে। এর মধ্যে মারা যান ২৪ জন। জুনের সর্বশেষ ১১ দিনে এই বিভাগে শনাক্ত হয়েছেন ৩৮৬ রোগী আর মারা গেছেন ৩ জন।
স্বাস্থ্য বিভাগের উপাত্তে দেখা যায়, মার্চ থেকে গত ৩০ মে তিন মাসে বরিশাল বিভাগে ৪ হাজার ৭২৫ জনের করোনা পজিটিভ শনাক্ত হয়েছিল। এই তিন মাসে করোনায় মারা গিয়েছিলেন ৮৪ জন।

বাংলাদেশ থেকে আরও পড়ুন
মন্তব্য করুন
বিজ্ঞাপন
বিজ্ঞাপন