বিজ্ঞাপন
বিজ্ঞাপন

আনিসুল হক বলেন, ‘অনেকেই বলেন, বাংলাদেশে বাক্‌স্বাধীনতা নেই। অনেকে প্রশ্ন তোলেন ডিজিটাল সিকিউরিটি অ্যাক্ট নিয়ে। আমি স্বীকার করি, ডিজিটাল সিকিউরিটি অ্যাক্ট হওয়ার পর এর অপব্যবহার হয়েছে। এ অপব্যবহার যেন বন্ধ হয়, সেই ব্যবস্থা নিয়েছি।’

আইনমন্ত্রী বলেন, ‘আপনারা হয়তো জিজ্ঞাসা করবেন, কী পদক্ষেপ নিয়েছি? গত বছরই ইউনাইটেড নেশনসে ডায়ালগ শুরু করেছি। ডিজিটাল নিরাপত্তা আইনের অপব্যবহার বন্ধে করণীয় কী হতে পারে, সেটা নিয়ে আলোচনা হচ্ছে। বেস্ট প্র্যাকটিস যাতে হয়, আইনের ক্ষমতাবলে বিধিতে সেসব রাখা যাবে, যাতে আইনের অপব্যবহার না হয়।’

আনিসুল হক বলেন, ‘আইসিটি অ্যাক্ট যেটা ২০০৬ সালে ছিল, ২০১২ সালে যেটা সংশোধন হয়েছিল, সেখানে একটা সেল গঠন করার কথা বলা হয়েছিল। এ আইনের অধীনে যে মামলাগুলো হবে, সেগুলো আইনশৃঙ্খলা রক্ষাকারী বাহিনীর সেই সেল দেখবে, অভিযোগ সঠিক কি না। যদি অভিযোগটি মামলা হওয়ার মতো হয়, তবে মামলার সুপারিশ করা হবে। এটা হচ্ছে ইনকোয়ারি প্রসেস। যতক্ষণ পর্যন্ত এটা না হয়, ততক্ষণ পর্যন্ত কোনো সাংবাদিককে গ্রেপ্তার না করার বিষয়টি কিন্তু স্বরাষ্ট্রমন্ত্রীর সঙ্গে আলাপ করেছি।’

আইনমন্ত্রী বলেন, ‘এখন আপনারা দেখবেন, কোনো সাংবাদিকের বিরুদ্ধে ডিজিটাল সিকিউরিটি অ্যাক্টে মামলা হলে তাৎক্ষণিকভাবে সাংবাদিককে গ্রেপ্তার করা হয় না। এটা আমরা নিশ্চিত করেছি। এই আইন কখনো বাক্‌স্বাধীনতা বা সংবাদমাধ্যমের স্বাধীনতা খর্ব করার জন্য প্রয়োগ করা হবে না।’

পেশাজীবীদের অধিকার ও স্বাধীনতা নিশ্চিত করতে বঙ্গবন্ধু সারা জীবন যুদ্ধ করে গেছেন বলে অনুষ্ঠানে মন্তব্য করেন আনিসুল হক। বঙ্গবন্ধুর কন্যা শেখ হাসিনার সরকার কখনো সংবাদমাধ্যমের স্বাধীনতা খর্ব করবেন না বলে জানান তিনি।

বাংলাদেশ থেকে আরও পড়ুন
মন্তব্য করুন
বিজ্ঞাপন
বিজ্ঞাপন