বিজ্ঞাপন
বিজ্ঞাপন

ইইউ রাষ্ট্রদূত আরও বলেন, ‘আমরা যে নির্বাচনের ওপর নজর রাখছি, তা হস্তক্ষেপ করার জন্য নয়। বাংলাদেশে কী হচ্ছে, তা নিয়ে আন্তর্জাতিক সম্প্রদায়ের আগ্রহ আছে। কারণ, এ অঞ্চলের কৌশলগত গুরুত্ব রয়েছে। আবার অর্থনীতির চালিকা শক্তি হিসেবে বাংলাদেশের উত্থানের বিষয়ে আগ্রহ আছে। এখানে প্রত্যেকের স্বার্থ আছে। তাই বাংলাদেশের নির্বাচনে কী ঘটতে যাচ্ছে, তা নিয়ে সবার আগ্রহ আছে। নির্বাচনের এখনো দুই বছর বাকি থাকলেও আমরা নিবিড়ভাবে পর্যবেক্ষণ করব। এর মধ্যেই নির্বাচন নিয়ে উত্তেজনা শুরু হয়েছে, যা খুবই স্বাভাবিক।’

চার্লস হোয়াইটলি আশা প্রকাশ করেন, বাংলাদেশের জনগণ নির্বাচনে ভোটাধিকার চর্চার সুযোগ পাবেন।

রোহিঙ্গা সমস্যার সমাধানে ইইউর ভূমিকা নিয়ে জানতে চাইলে চার্লস হোয়াইটলি বলেন, রোহিঙ্গা ইস্যুতে মিয়ানমারের ওপর চাপ অব্যাহত রেখেছে ইউরোপীয় ইউনিয়ন। তারা মিয়ানমারের ওপর বেশ কয়েকটি ইস্যুতে অবরোধ আরোপ করেছে। রোহিঙ্গাদের যেন মিয়ানমার ফেরত নেয়, সেই লক্ষ্যে তারা আন্তর্জাতিক চাপ অব্যাহত রেখেছে।

এক প্রশ্নের জবাবে ইইউ রাষ্ট্রদূত বলেন, ‘ডিজিটাল নিরাপত্তা আইন নিয়ে আমাদের উদ্বেগ রয়েছে। সম্প্রতি ব্রাসেলসে ইউরোপীয় ইউনিয়নের সঙ্গে বাংলাদেশের এক বৈঠকে বিষয়টি নিয়ে আলোচনা হয়েছে। এ নিয়ে সেখানে আমরা আমাদের অবস্থান তুলে ধরেছি।’

ডিকাব সভাপতি পান্থ রহমানের সঞ্চালনায় অনুষ্ঠানে স্বাগত বক্তব্য দেন সংগঠনের সাধারণ সম্পাদক এ কে এম মঈনুদ্দিন।

বাংলাদেশ থেকে আরও পড়ুন
মন্তব্য করুন
বিজ্ঞাপন
বিজ্ঞাপন