গ্রেপ্তার হওয়া জেএমবি সদস্যের নাম কাজী সাহিদুর রহমান ওরফে সাহিদ। ৫৮ বছর বয়সী সাহিদুরের বাড়ি বাংলাদেশের যশোর শহরের কোতোয়ালি থানা এলাকার দিয়াপাড়ায়। ২০০৫ সালের যশোরের চেঙ্গুটিয়ার ধারাবাহিক বোমা বিস্ফোরণের অন্যতম আসামি ছিলেন এই সাহিদুর রহমান। মামলায় যাবজ্জীবন কারাদণ্ড হওয়ার পর সাহিদুর জেল থেকে পালিয়ে বেনাপোল সীমান্ত দিয়ে বেআইনিপথে পশ্চিমবঙ্গে প্রবেশ করেন। আশ্রয় নেন আটলিয়া গ্রামে। পরে একটি মাছের ভেড়িতে কাজ নেন।

পুলিশ সূত্র জানায়, বাদুরিয়া থানার আটলিয়া গ্রামে দীর্ঘ ১৫ বছর ধরে আত্মগোপন করেছিলেন সাহিদুর। স্থানীয় ভোটার কার্ড, আধার কার্ড, প্যান কার্ড ইত্যাদি তৈরি করে ভুয়া ভারতীয় পরিচয়ে আত্মগোপন করেছিলেন। শুধু তাই নয়, ভুয়া কাগজপত্র ব্যবহার করে ভারতের সব সরকারি সুযোগ–সুবিধাও ভোগ করেছেন তিনি।

সাহিদুরকে ধরতে বৃহস্পতিবার গভীর রাতে অভিযান চালায় পুলিশ। বাদুরিয়ার চৌমাথা থেকে তাঁকে গ্রেপ্তারের পর এখন পুলিশ হেফাজতে সাহিদুরকে জেরা করা হচ্ছে। খুব শিগগির রাজ্য পুলিশের গোয়েন্দাসহ কেন্দ্রীয় গোয়েন্দারা বাদুরিয়ায় আসছেন সাহিদুরকে জেরা করতে।

সাহিদুরকে জিজ্ঞাসাবাদে পাওয়া তথ্যের বরাত দিয়ে পশ্চিমবঙ্গ পুলিশ বলেছে, ৩৫ জনের মতো জেএমবি সদস্য বাংলাদেশ থেকে পালিয়ে এই রাজ্যে এসে আত্মগোপন করে আছে। পশ্চিমবঙ্গে বসেই তারা জেএমবিকে শক্তিশালী করার জন্য কাজ করে যাচ্ছে।

তবে বাংলাদেশের দণ্ডপ্রাপ্ত জেএমবি সদস্যকে গ্রেপ্তার প্রসঙ্গে বাদুরিয়া থানার ভারপ্রাপ্ত কর্মকর্তা আনুষ্ঠানিকভাবে কোনো মন্তব্য করতে রাজি হননি।

বাংলাদেশ থেকে আরও পড়ুন
মন্তব্য করুন