বোর্ডিংয়ের সময় এয়ারলাইন যাত্রীর হেলথ কার্ড আছে কি না, তা যাচাই করবে। দেশে আসার পর বিমানবন্দরে কিউআর কোডযুক্ত হেলথ কার্ড দেখাতে হবে যাত্রীকে।

যাত্রীদের কাছে কিউআর কোডসহ এইচডিএফ আছে কি না, তা বিমানবন্দরে অপারেটররা বোর্ডিংয়ের আগে নিশ্চিত করবেন। যাত্রীরা কিউআর কোডসহ হেলথ ডিক্লারেশন কার্ডটি (সফট বা প্রিন্ট কপি) ইমিগ্রেশনে দেখাবেন এবং কোনো যাত্রীর করোনার উপসর্গ থাকলে স্বাস্থ্য পরীক্ষার জন্য ইমিগ্রেশনের আগে হেলথ ডেস্কে যোগাযোগ করবেন।

এত দিন বিদেশ থেকে দেশে আসার পর বিমানবন্দর ও স্থলবন্দরে ইমিগ্রেশনের আগে যাত্রীদের পূরণ করতে হতো হেলথ ডিক্লারেশন ফরম। বিমানবন্দরে এসে হাতে লেখা এ ফরম পূরণ করতে গিয়ে যাত্রীদের দীর্ঘ সময় অপেক্ষা করতে হতো। এ জটিলতা দূর করতে দেশে আসার তিন দিনের মধ্যে হেলথ ডিক্লারেশন ফরম পূরণ করার নিয়ম চালু করতে স্বাস্থ্য অধিদপ্তর ৭ এপ্রিল সংশ্লিষ্ট বন্দর কর্তৃপক্ষগুলোকে চিঠি দেয়। আগে ৩০০ যাত্রী ধারণে সক্ষম উড়োজাহাজে ৯৫ শতাংশের বেশি যাত্রী না নেওয়ার বিধান ছিল।
বেবিচকের ফ্লাইট সেফটি অ্যান্ড রেগুলেশন বিভাগের পরিচালক গ্রুপ ক্যাপ্টেন চৌধুরী এম জিয়াউল কবিরের স্বাক্ষর করা ওই নতুন নির্দেশনায় বলা হয়, ছোট পরিসরের (ন্যারো বডি) উড়োজাহাজের ইকোনমি ক্লাসের শেষ সারি ফাঁকা রাখতে হবে করোনায় আক্রান্ত সন্দেহজনক ব্যক্তিদের জন্য। আর বড় পরিসরের (ওয়াইড বডি) উড়োজাহাজের ইকোনমি ক্লাসের শেষ সারি এবং বিজনেস ক্লাসের একটি কেবিন ফাঁকা রাখার নির্দেশনা দেওয়া হয়েছে।

বেবিচকের নতুন নির্দেশনায় বলা হয়, বিশ্ব স্বাস্থ্য সংস্থা অনুমোদিত যেকোনো টিকার পূর্ণ ডোজ যাঁরা নিয়েছেন, তাঁরা বাংলাদেশে এলে করোনা পরীক্ষা করতে হবে না। যাত্রীদের সঙ্গে টিকা নেওয়ার প্রমাণ রাখতে হবে। আর যে যাত্রীরা এক ডোজ কিংবা কোনো টিকা নেননি, তাঁদের বাংলাদেশ আসতে হলে ৭২ ঘণ্টার মধ্যে করোনা পরীক্ষা করে নেগেটিভ রিপোর্ট থাকতে হবে। তবে ১২ বছরের নিচে শিশুদের কোনো করোনা পরীক্ষা করাতে হবে না। তবে তাঁদের স্বাস্থ্যসংক্রান্ত অন্যান্য নির্দেশনা মানতে হবে।

বাংলাদেশ থেকে আরও পড়ুন
মন্তব্য করুন