default-image

তথ্যমন্ত্রী ও আওয়ামী লীগের যুগ্ম সাধারণ সম্পাদক হাছান মাহমুদ বলেছেন, বাংলাদেশ আগে ছিল খাদ্যঘাটতির দেশ। এখন খাদ্য–উদ্বৃত্তের দেশ। আগে ছিল ‘বটমলেস বাস্কেট’। এখন ‘উপচে পড়া ঝুড়ির দেশ’। দেশের এই বদলে যাওয়া কোনো জাদুমন্ত্রের বলে হয়নি। আওয়ামী লীগ সরকারের কারণে হয়েছে। প্রধানমন্ত্রী শেখ হাসিনার সাহসী ও জাদুকরি নেতৃত্বের কারণে হয়েছে।

বৃহস্পতিবার রাতে কক্সবাজারের রামুতে বঙ্গবন্ধু উৎসবে প্রধান অতিথির বক্তব্যে তিনি এ কথা বলেন।

যারা উন্নয়ন পছন্দ করে না, তারা শুধু সরকারের সমালোচনা করে—এই মন্তব্য করে তথ্যমন্ত্রী বলেন, আজ উন্নয়নের জোয়ারে দেশ ভাসছে। শেখ হাসিনার নেতৃত্বে দেশ বদলে যাচ্ছে। শেখ হাসিনার সরকার বয়স্ক ও বিধবা ভাতা চালু করেছে। মাতৃত্ব ভাতা চালু করেছে। এমনকি স্বামী পরিত্যক্তাদের জন্যও ভাতা চালু করেছে। এমন নজির ইউরোপ–আমেরিকার মতো উন্নত দেশেও নেই।

আওয়ামী লীগের যুগ্ম সাধারণ সম্পাদক হাছান মাহমুদ বলেন, করোনা নিয়ে বিএনপির আন্দোলনের ইচ্ছা পূরণ হয়নি। তিনি বলেন, করোনা পরিস্থিতি নিয়ে বিএনপি আন্দোলন করতে চেয়েছিল। কিন্তু তাদের সেই ইচ্ছা পূরণ হয়নি। এখন তারা ভ্যাকসিন নিয়ে রাজনীতি করতে চায়। কিন্তু তাদের সেই আকাঙ্ক্ষাও পূরণ হবে না। প্রধানমন্ত্রী শেখ হাসিনার নেতৃত্বে সরকার যথাসময়ে ভ্যাকসিন নিয়ে আসার ব্যবস্থা করেছে।

হাছান মাহমুদ বলেন, বিএনপি মনে করেছিল, করোনা আসার পর অনাহারে দেশে হাজার হাজার মানুষ মারা যাবে। বিএনপি আন্দোলনে নামবে। কিন্তু তাদের সেই ইচ্ছা পূরণ হয়নি। শেখ হাসিনার নেতৃত্বে সরকারের সময়োপযোগী পদক্ষেপের কারণে একজন লোকও অনাহারে মারা যায়নি।

বিজ্ঞাপন

তথ্যমন্ত্রী বলেন, বিএনপি এখন ভ্যাকসিন নিয়ে কথা বলছে। তারা প্রথমে বলেছে, সরকার ভ্যাকসিন পাবে না। তাদের এই অভিযোগ মিথ্যা প্রমাণিত হয়েছে। এখন তারা বলছে, ভ্যাকসিনের দাম বেশি। মন্ত্রী আরও বলেন, বিএনপি একের পর এক মিথ্যা কথা বলছে। আওয়ামী লীগ সরকারের উদ্যোগে সময়মতো মানুষ ভ্যাকসিন পাবে।

রামু খিজারি উচ্চবিদ্যালয়ের মাঠে বঙ্গবন্ধু উৎসবের চতুর্থ দিনের অনুষ্ঠানে সভাপতিত্ব করেন বীর মুক্তিযোদ্ধা নুরুল হক। এতে বিশেষ অতিথি ছিলেন রেলমন্ত্রী নুরুল ইসলাম ও স্থানীয় সাংসদ সাইমুম সরওয়ার।

সভায় নুরুল ইসলাম বলেন, বিএনপির কথা ও কাজে মিল নেই। তারা শুধু মিথ্যা অভিযোগ করে সরকারের সমালোচনা করে। দেশের উন্নয়ন দেখে তাদের মাথা ঠিক নেই।

রেলমন্ত্রী বলেন, সরকার দেশের প্রধান পর্যটনকেন্দ্র কক্সবাজারের উন্নয়নে সর্বাধিক গুরুত্ব দিয়েছে। আগামী বছরের শেষ নাগাদ রেললাইন নির্মাণ কাজ শেষ হবে। রাজধানী ঢাকা থেকে ট্রেনে চড়ে মানুষ কক্সবাজারে ভ্রমণে আসতে পারবে।

বাংলাদেশ থেকে আরও পড়ুন
মন্তব্য করুন