বিজ্ঞাপন

জেলার সবচেয়ে বেশি সংক্রমিত উপজেলা মোংলায় গত ২৪ ঘণ্টায় ৫১ জনের নমুনা পরীক্ষায় ২৬ জনের করোনা পজিটিভ রিপোর্ট এসেছে। সংক্রমণের হার প্রায় ৫১ শতাংশ। আক্রান্ত ব্যক্তিদের বড় অংশই মোংলা উপজেলার পৌর শহরের বাসিন্দা।
প্রায় ১৫ দিন ধরে মোংলা উপজেলায় সংক্রমণের হার ৪০ শতাংশের নিচে নামছে না। সেখানে করোনা রোগী বাড়লেও চিকিৎসায় নেই পর্যাপ্ত ব্যবস্থা। উপজেলা স্বাস্থ্য কমপ্লেক্সের সেন্ট্রাল অক্সিজেন ব্যবস্থা নেই। রোগীদের জরুরি প্রয়োজনে সিলিন্ডারের অক্সিজেন সাপোর্ট দিয়ে রেফার্ড করা হয় বিভাগীয় শহর খুলনার হাসপাতালে।

উপজেলা স্বাস্থ্য কমপ্লেক্সের ৩৫টি অক্সিজেন সিলিন্ডারের বড় একটি অংশ রিফিলের জন্য দীর্ঘ সময় পড়ে থাকে খুলনায়। মোংলা উপজেলা স্বাস্থ্য ও পরিবার পরিকল্পনা কর্মকর্তা জীবিতেশ বিশ্বাস প্রথম আলোকে বলেন, ‘স্বাস্থ্য কমপ্লেক্সে ছয়টি শয্যা আছে করোনা রোগীদের জন্য। তবে অক্সিজেন অপর্যাপ্ত। এখানে সিলিন্ডারভিত্তিক সাপ্লাই। কিন্তু দেখা যায়, একজন কোভিড রোগীর একটি সিলিন্ডার দুই থেকে তিন ঘণ্টায় শেষ হয়ে যায়। এ ছাড়া হাই ফ্লো নাজাল ক্যানুলা নেই। ফলে বেশি মাত্রার অক্সিজেন যাঁদের লাগে, তাঁদের আমরা দিতে পারি না।’

সিভিল সার্জন কে এম হুমায়ুন কবির বলেন, মোংলা উপজেলায় প্রতিদিন সংক্রমণের হার ওঠানামা করছে। স্বাস্থ্যবিধি মেনে না চললে সংক্রমণের এ হার আরও বাড়ার আশঙ্কা রয়েছে।

আগের ২৪ ঘণ্টায় (বুধবার সকাল থেকে বৃহস্পতিবার সকাল) জেলায় করোনায় আক্রান্তের হার ছিল প্রায় ৩৯ শতাংশ। শুক্রবার পর্যন্ত জেলায় করোনাভাইরাসে মোট আক্রান্ত হয়েছেন ২ হাজার ৪৬ জন, যাঁদের মধ্যে সুস্থ হয়েছেন ১ হাজার ৫১৪ জন।

বাংলাদেশ থেকে আরও পড়ুন
মন্তব্য করুন
বিজ্ঞাপন
বিজ্ঞাপন