শিক্ষা খাতসংশ্লিষ্ট শিক্ষক-কর্মচারীরা অর্থকষ্টে দিন কাটাচ্ছেন উল্লেখ করে বিবৃতিতে বলা হয়, অনেকেই শিক্ষক হওয়ার পরও ১০, ১২, ১৫ বা ২০ বছর ধরে এমপিওভুক্তির আশায় রয়েছেন। এমন শিক্ষক-কর্মচারীর সংখ্যা প্রায় ৮৪ হাজার। আবার এমপিওভুক্ত স্কুলের শিক্ষকদের বেতনও কম। অবসরের পর অবসর ও কল্যাণ-সুবিধার টাকা পেতেও তিন থেকে পাঁচ বছর অপেক্ষা করতে হয়। সে জন্য এমপিওভুক্তদের নিয়োগ ও বেতনের জন্য প্রয়োজনীয় সরকারি আর্থিক সহায়তার ব্যবস্থা করতে হবে।

বিবৃতিতে শিক্ষা খাতে বাজেট বরাদ্দ কম থাকার কথা উল্লেখ করে বলা হয়, স্বাধীনতার পর ১৯৭২-৭৩ সালের জাতীয় বাজেটে শিক্ষা খাতে বরাদ্দ ছিল বাজেটের ২০ দশমিক ১ শতাংশ। ১৯৭৩-৭৪ সালে ছিল ২০ দশমিক ৪ শতাংশ। অথচ ১৯৭৫-এর পর থেকে তা ক্রমে কমে এসেছে। আবার প্রতিবছর সব টাকা খরচ না করে ফেরতও দেওয়া হচ্ছে।

বেসরকারি শিক্ষক নিবন্ধন ও প্রত্যয়ন কর্তৃপক্ষের মাধ্যমে নিয়োগপ্রক্রিয়াকে আরও স্বচ্ছ করার দাবি জানান শিক্ষাবিদেরা। বলেন ‘আমরা শিক্ষাব্যবস্থা ও শিক্ষকদের প্রতি অবহেলা ও অবমাননাকর অবস্থা দেখতে চাই না।’

বিবৃতি দেওয়া ১৫ শিক্ষাবিদ হলেন অধ্যাপক মঈনুল ইসলাম, শহিদুল ইসলাম, যতীন সরকার, আ মু মুয়াজ্জাম হোসেন, তাজুল ইসলাম, আনু মুহাম্মদ, সাদেকা হালিম, এম এম আকাশ, কাবেরী গায়েন, বদিউর রহমান, এ এন রাশেদা, রোবায়েত ফেরদৌস, শরমিন্দ নীলোর্মি, অধ্যক্ষ আকমল হোসেন ও মো. জাহাংগীর।

বাংলাদেশ থেকে আরও পড়ুন
মন্তব্য করুন