বিজ্ঞাপন
বিজ্ঞাপন

ছয়তলায় লিফট থেকে নেমেই কাঠের সিঁড়ি। এই সিঁড়ি থেকেই শুরু হয়ে গেছে সংগ্রহশালা। শুরুতেই প্রিয় নিবাস রতনপুর। তাঁর ক্যামেরায় কতবার কতভাবে উঠে এসেছে এই জায়গাটার মানুষ ও প্রকৃতি। তার থেকে বাছাই করা কিছু ছবি নিয়ে এই সেকশন। তারপরই আছে আলী যাকেরের নিকটজনের ছবি। সিঁড়ি লাগোয়া ক্ষুদ্র একটা ঘরের একটা দেয়ালে আছে আলী যাকের সারা জীবনে যত স্বীকৃতি ও সম্মান পেয়েছেন, তার সনদ ও স্মারক, আরেক দিকের দেয়ালজুড়ে আছে যাকেরের তোলা তাঁর দুই সন্তানের ছবি। মূল ঘরের এক দিকের দেয়ালজুড়ে আছে তাঁর অভিনীত ও নির্দেশিত অধিকাংশ নাটকের স্টিল ও পোস্টার।

আছে স্বাধীন বাংলা বেতার কেন্দ্রে পঠিত তাঁর কথিকা, পরিচয়পত্র, একটি রেডিও। এই কক্ষের বড় আকর্ষণ আলী যাকেরের কালজয়ী তিন চরিত্র নুরলদীন, গ্যালিলিও আর দেওয়ান গাজীর পোশাক ও কিছু প্রপস। এগুলো পরেই বাংলা নাটকের তিনটা চরিত্রকে জীবন্ত করে তুলেছিলেন আলী যাকের। পাশের লাগোয়া দুটো ঘর, যেগুলো আদিতে ছিল অফিস স্পেস, সেগুলোর অন্দরসাজে খুব একটা পরিবর্তন করা হয়নি। আলী যাকেরের নিত্যব্যবহার্য ডেস্ক, সোফা, কলম, ক্যামেরা দিয়ে সাজানো হয়েছে এই দুটো ঘর। এমনকি বয়ামে তাঁর প্রিয় বিস্কুটটা পর্যন্ত রাখা আছে। ছাদের খোলা অংশটা আলী যাকেরের তোলা নিসর্গ ও মানুষের ছবি আর আত্মজীবনীর উল্লেখযোগ্য অংশ দিয়ে সাজানো হয়েছে।

বনানীর এইচ ব্লকের ৭বি সড়কের ৬৩ নম্বর বাড়ির ঢাকা এশিয়াটিক সেন্টারের বাতিঘর। আর কিছুদিনের মধ্যেই এটি সর্বসাধারণের জন্য খুলে দেওয়া হবে।

বাংলাদেশ থেকে আরও পড়ুন
মন্তব্য করুন
বিজ্ঞাপন
বিজ্ঞাপন