টাঙ্গাইলে বিএনপির নেতা ও ইউনিয়ন পরিষদ (ইউপি) চেয়ারম্যান রফিকুল ইসলাম ওরফে ফারুক হত্যা মামলার আরও এক আসামি গতকাল রোববার আদালতে স্বীকারোক্তিমূলক জবানবন্দি দিয়েছেন। তাঁর নাম সুজন মিয়া। তিনিও জবানবন্দিতে ছাত্রলীগের কেন্দ্রীয় সহসভাপতি সানিয়াত খান ওরফে বাপ্পার জড়িত থাকার কথা উল্লেখ করেছেন বলে জানা গেছে।
এর আগে গত বৃহস্পতিবার বাপ্পার দেহরক্ষী শাহজাহান মিয়া আদালতে জবানবন্দি দেন। জবানবন্দিতে তিনি উল্লেখ করেন, বাপ্পার নির্দেশ ও অর্থায়নে এ হত্যাকাণ্ড ঘটানো হয়েছে।
এদিকে গতকাল দুপুরে গোয়েন্দা পুলিশ এ হত্যাকাণ্ডে জড়িত থাকার অভিযোগে নাগরপুর ভূমি অফিসের চতুর্থ শ্রেণির কর্মচারী ছানোয়ার হোসেনকে গ্রেপ্তার করেছে। সুজন ও ছানোয়ারের জড়িত থাকার তথ্য শাহজাহানের জবানবন্দিতে পাওয়া গিয়েছিল।
মামলার তদন্ত কর্মকর্তা জেলা গোয়েন্দা পুলিশের উপপরিদর্শক (এসআই) অশোক কুমার সিংহ জানান, সদর উপজেলার বাঘিল ইউনিয়নের কাঠুয়া যুগনী গ্রামের বাসিন্দা সুজন মিয়াকে (৩০) গত শনিবার বিকেলে শহরের আশেকপুর এলাকা থেকে গ্রেপ্তার করা হয়। নিষিদ্ধঘোষিত চরমপন্থীদলের সদস্য সুজনের বিরুদ্ধে হত্যা, পুলিশের ওপর আক্রমণসহ একাধিক মামলা রয়েছে। জিজ্ঞাসাবাদকালে সুজন ইউপি চেয়ারম্যান ফারুক হত্যা মামলায় প্রত্যক্ষভাবে জড়িত থাকার কথা স্বীকার করেন এবং আদালতে জবানবন্দি দিতে সম্মত হন।

বিজ্ঞাপন
বাংলাদেশ থেকে আরও পড়ুন
মন্তব্য করুন