ময়মনসিংহের নান্দাইল উপজেলায় গত সোমবার বাবার সামনেই স্কুলছাত্রীকে কবীর মিয়া (২৬) নামের এক যুবক অপহরণ করেছেন বলে অভিযোগ পাওয়া গেছে। খবর পেয়েও মেয়েটিকে উদ্ধারে পুলিশ পদক্ষেপ নেয়নি বলে অভিযোগ উঠেছে। কবীর উপজেলার হালিউড়া গ্রামের সুলতান মিয়ার ছেলে।
স্কুলছাত্রীর বাবা জানান, তাঁর মেয়ে স্থানীয় একটি উচ্চবিদ্যালয়ে নবম শ্রেণীতে পড়ে। ওই দিন সকাল ১০টার দিকে বিদ্যালয়ে যাওয়ার পথে তাঁর মেয়ের দুই সহপাঠী তাকে রাজাবাড়িয়া বাজারে অবস্থিত কবীরের ফ্লেক্সিলোডের (মুঠোফোনে টাকা ভরা) দোকানে নিয়ে যায়। টাকা ভরা শেষ হলে সে সহপাঠীদের সঙ্গে দোকান থেকে বের হওয়ার পথে কবীর তাকে দোকানে আটকে রাখেন। এ সময় কবীর অন্য দুই সহপাঠীকে ছেড়ে দেন। তিনি মেয়েকে আটকের খবর ওই বাজারের পরিচিত এক ব্যবসায়ীর কাছ থেকে জানতে পারেন। পরে মেয়েকে উদ্ধারে দ্রুত ওই বাজারে এসে কবীরের দোকান বন্ধ দেখতে পান। এ সময় তালাবদ্ধ দোকান থেকে তাকে (মেয়েটি) উদ্ধারের জন্য তাঁর (বাবার) কাছে আকুতি জানান। কিন্তু দোকানের তালা ভাঙা বেআইনি হবে ভেবে তিনি বিষয়টি তাঁর ভাই যুবলীগের নেতাকে জানান।
মেয়েটির চাচা যুবলীগের ওই নেতা জানান, তিনি ওই দিন দুপুর ১২টার দিকে থানায় এসে এসআই মো. সানোয়ার হোসেন ও পরে ওসি মো. সাইফুল ইসলাম ফরাজীকে বিষয়টি জানান। এ সময় ওই পুলিশ কর্মকর্তারা মেয়ের বাবাকে থানায় এসে অভিযোগ দিতে বলেন। এরই ফাঁকে তাঁর ভাতিজিকে কবীর অপহরণ করে নিয়ে যান।
সানোয়ার জানান, মেয়ের চাচা তাঁর কাছে এসেছিলেন। কিন্তু থানায় ঊর্ধ্বতন পুলিশ কর্মকর্তা আসায় পুলিশ ব্যস্ত ছিল। বিষয়টি আজ (গতকাল মঙ্গলবার) গুরুত্ব দিয়ে দেখা হচ্ছে। সাইফুল জানান, এ ধরনের অভিযোগে পদক্ষেপ নেওয়া উচিত ছিল। ব্যস্ততার জন্য বিষয়টি তাঁর নজরে আসেনি।

বিজ্ঞাপন
বাংলাদেশ থেকে আরও পড়ুন
মন্তব্য করুন