বিজ্ঞাপন
বিজ্ঞাপন

বাবুলের আইনজীবী ইফতেখার সাইমুল চৌধুরী প্রথম আলোকে বলেন, মামলাটি অধিকতর তদন্তের নির্দেশ দিয়েছেন আদালত। এ অবস্থায় কেস ডকেট (সিডি) থেকে গুরুত্বপূর্ণ তথ্যাদি ঘষামাজা, টেম্পারিং অথবা সরিয়ে ফেলার আশঙ্কা করা হচ্ছে। তাই কেস ডকেটের অনুলিপি জুডিশিয়াল হেফাজতে রাখার আবেদন করা হয়। আদালত এর পক্ষে আদেশ দেন।

২০১৬ সালের ৫ জুন ছেলেকে স্কুলবাসে তুলে দিতে গিয়ে নগরের জিইসি মোড় এলাকায় খুন হন মাহমুদা খানম। এ ঘটনায় তাঁর স্বামী বাবুল আক্তার বাদী হয়ে পাঁচলাইশ থানায় মামলা করেন। তদন্ত শেষে পিবিআই এ বছরের ১২ মে এ মামলায় চূড়ান্ত প্রতিবেদন দেয়। ওই দিন মাহমুদার বাবা মোশাররফ হোসেন বাদী হয়ে বাবুলসহ আটজনকে আসামি করে পাঁচলাইশ থানায় মামলা করেন।

বর্তমানে পিবিআই মামলাটি তদন্ত করছে। এদিকে বাবুলের করা মামলায় পিবিআই চূড়ান্ত প্রতিবেদন দেয় গত বছরের মে মাসে। এর বিরুদ্ধে বাবুলের আইনজীবী নারাজি আবেদন করেন। আদালত তা অধিকতর তদন্তের নির্দেশ দেন।

বাংলাদেশ থেকে আরও পড়ুন
মন্তব্য করুন
বিজ্ঞাপন
বিজ্ঞাপন