বিজ্ঞাপন
বিজ্ঞাপন

এদিকে উদ্ধার করা হলেও ফেরি আমানত শাহকে পরিত্যক্ত ঘোষণা করা হতে পারে বলে নিশ্চিত করেছে বাংলাদেশ অভ্যন্তরীণ নৌপরিবহন করপোরেশন (বিআইডব্লিউটিসি)৷

বিআইডব্লিউটিসি চেয়ারম্যান সৈয়দ মো. তাজুল ইসলাম প্রথম আলোকে বলেন, ‘উদ্ধারের পর ফেরিটি নিয়ে কি করা হবে সে বিষয়ে আমরা মন্ত্রণালয়ের সিদ্ধান্ত চাইব। এখনো এটি রিপেয়ার (সংস্কার) করার সিদ্ধান্ত হয়নি। যেহেতু ফেরিটির অনেক বয়স হয়েছে এটি রিপেয়ার করলে কত দিন চালানো যাবে তা বলা যাচ্ছে না। আমরা পত্রিকায় বিজ্ঞাপন দিয়ে এটিকে নিলামে বিক্রি করে দিতে পারি।’

ফেরি আমানত শাহ ১৯৮০ সালে সংগ্রহ করেছে বিআইডব্লিউটিসি। অভ্যন্তরীণ নৌচলাচল অধ্যাদেশ অনুযায়ী এটির অর্থনৈতিক জীবন শেষ হয়ে গেছে।

গত বুধবার সকাল নয়টার দিকে রাজবাড়ীর দৌলতদিয়ার ৫ নম্বর ঘাট থেকে ১৭টি পণ্যবাহী গাড়ি ও কয়েকটি মোটরসাইকেল নিয়ে আমানত শাহ ফেরিটি ছেড়ে আসে। মাঝপথে আসার পরপরই ফেরির পেছনের বাঁ দিক থেকে পানি উঠতে থাকে। সকাল পৌনে ১০টার দিকে মানিকগঞ্জের পাটুরিয়ার ৫ নম্বর ঘাটের পন্টুনে ভেড়ার সঙ্গে সঙ্গে ফেরি থেকে তিনটি পণ্যবাহী যান দ্রুত নেমে যায়। এ সময় আরেকটি পণ্যবাহী গাড়ি ফেরি থেকে নামার সময় ফেরিটির এক পাশ কাত হয়ে যায়। ওই গাড়িটি নদীতে পড়ে। এর পরপরই অন্যান্য যানবাহন নিয়ে পন্টুনের কাছে পদ্মা নদীতে ফেরিটি ডুবে যায়।

বাংলাদেশ থেকে আরও পড়ুন
মন্তব্য করুন
বিজ্ঞাপন
বিজ্ঞাপন