বিজ্ঞাপন
বিজ্ঞাপন

বার কাউন্সিল নির্বাচনের বৈধতা চ্যালেঞ্জ করে আইনজীবী আবদুল মোনেম চৌধুরী ওই রিটটি করেন। এতে বার কাউন্সিল নির্বাচন স্থগিতও চাওয়া হয়। আদালতে রিটের পক্ষে আবদুল মোমেন চৌধুরী নিজেই শুনানি করেন। রাষ্ট্রপক্ষে ছিলেন ডেপুটি অ্যাটর্নি জেনারেল তুষার কান্তি রায়।

রিট খারিজ হওয়ায় ২৫ মে বাংলাদেশ বার কাউন্সিলের নির্বাচন অনুষ্ঠানে আইনি কোনো বাধা নেই বলে জানান তুষার কান্তি রায়। তবে আবদুল মোমেন চৌধুরী প্রথম আলোকে বলেন, ভোটার তালিকায় ক্রটি ও নির্বাচনী বিধিতে অসংগতি থাকায় রিটটি করা হয়। তবে হাইকোর্টের আদেশের বিরুদ্ধে আপিল করা হবে।

তিন বছর পরপর বার কাউন্সিল নির্বাচন হয়ে থাকে। সারা দেশের আইনজীবীরা মোট ১৪ জন সদস্য নির্বাচিত করেন। এর মধ্যে সাধারণ আসনে সাতজন এবং সাতটি অঞ্চলভিত্তিক আইনজীবী সমিতির সদস্যদের মধ্য থেকে একজন করে আরও সাতজন নির্বাচিত হয়ে থাকেন। সরাসরি ভোটে নির্বাচিত ১৪ জন সদস্যের ভোটে নির্বাচিত হন বার কাউন্সিলের ভাইস চেয়ারম্যান। অ্যাটর্নি জেনারেল পদাধিকারবলে কাউন্সিলের চেয়ারম্যানের দায়িত্ব পালন করেন।

বাংলাদেশ থেকে আরও পড়ুন
মন্তব্য করুন
বিজ্ঞাপন
বিজ্ঞাপন