default-image

বাল্যবিবাহ রোধে ও কন্যাশিশু-কিশোরীদের সামাজিক নিরাপত্তা বাড়াতে প্রস্তাবিত ২০২০-২১ সালের বাজেটে সুনির্দিষ্ট অর্থ বরাদ্দের দাবি উঠেছে। ‘গার্লস নট ব্রাইডস, বাংলাদেশ’ (জিএনবি, বাংলাদেশ) নামে একটি জোট এই দাবি করেছে। বিজ্ঞপ্তি

২৯টি আন্তর্জাতিক, জাতীয় ও তৃণমূল সংগঠনের জোট জিএনবি, বাংলাদেশ। এই জোট ২০১৩ সাল থেকে বাল্যবিবাহ নিরসনে বাংলাদেশে কাজ করছে। আন্তর্জাতিক সংগঠন প্ল্যান ইন্টারন্যাশনাল এর সাচিবিক দায়িত্বে আছে।

আজ রোববার জিএনবি, বাংলাদেশের এক প্রেস বিজ্ঞপ্তিতে বলা হয়, কোভিড-১৯ সংক্রমণের কারণে নারী ও কন্যাশিশুদের জীবনে নতুন নতুন চ্যালেঞ্জ যোগ হয়েছে। দেশের অর্থনীতিতেও নেতিবাচক প্রভাব পড়েছে। মহামারির কারণে মার্চ থেকে মানুষ, বিশেষ করে নারীরা স্বাস্থ্য, কর্মসংস্থান ও খাদ্য নিরাপত্তার ঝুঁকির মুখোমুখি। সেই সঙ্গে বাড়ছে নারী ও কন্যাশিশুদের প্রতি সহিংসতা, যৌন হয়রানি। কমছে নারীর সামাজিক নিরাপত্তা। বিভিন্ন সংগঠনের জরিপ ও পত্রিকায় প্রকাশিত সংবাদ থেকে জানা যায়, করোনার কারণে সৃষ্ট অর্থনৈতিক-সামাজিক সংকটে কন্যাশিশু ও কিশোরীদের বিদ্যালয় থেকে ঝড়ে পড়ার ও বাল্যবিবাহের ঝুঁকি বেড়ে গেছে। এর সঙ্গে বেড়ে গেছে নারীর প্রজননস্বাস্থ্য ঝুঁকি।

জিএনবি, বাংলাদেশের আশঙ্কা, বাল্য ও জোরপূর্বক বিয়ে বন্ধসহ নারীর প্রতি সব ধরনের সহিংসতা প্রতিরোধে কয়েক দশক ধরে যে সামাজিক অগ্রগতি হয়েছে, কোভিড-১৯ সংকটের কারণে তা পিছিয়ে যাওয়ার হুমকি তৈরি হয়েছে।

বিজ্ঞপ্তিতে বলা হয়, বাজেট শুধু একটি বছরের কর্মসূচির জন্য অর্থ বরাদ্দ নয়, এটি একটি বছরের কর্মপরিকল্পনার রূপরেখাও বটে। আশা করা হয়েছিল, দুর্যোগকালে এই বাজেটে নারী ও কন্যাশিশুদের জন্য বিশেষ মনোযোগ ও উল্লেখযোগ্য পরিমাণ অর্থ বরাদ্দ থাকবে। কিন্তু দুঃখজনকভাবে লক্ষ করা যায়, প্রস্তাবিত বাজেটে কন্যাশিশুদের সামাজিক নিরাপত্তা বৃদ্ধি, বাল্যবিবাহ প্রতিরোধ এবং কিশোরী, তথা কন্যাশিশুদের বিদ্যালয়ে ফিরে যাওয়া নিশ্চিত করার জন্য কোনো পৃথক বা সুনির্দিষ্ট বরাদ্দ রাখা হয়নি।

বিজ্ঞপ্তিতে ‘বাল্যবিবাহ নিরোধকল্পে জাতীয় কর্মপরিকল্পনা ২০১৮-৩০’ বাস্তবায়ন এবং কন্যাশিশু ও কিশোরীদের সামাজিক নিরাপত্তা বৃদ্ধির জন্য এ বছরের বাজেটে পৃথকভাবে সুনির্দিষ্ট অর্থ বরাদ্দের দাবি জানানো হয়।

বিজ্ঞাপন
বাংলাদেশ থেকে আরও পড়ুন
মন্তব্য করুন