default-image

রাজধানীসহ সারা দেশে সরকারি-বেসরকারি বাসগুলোর কালো ধোঁয়ায় পরিবেশ দূষিত হচ্ছে। বাসগুলো কালো ধোঁয়া ছাড়া নিয়ে আলোচনা হয়। বাসের ফিটনেস নিয়েও চলে কথা। ফিটনেসবিহীন বাস চলাচল করে রাজধানীসহ সারা দেশে। কিন্তু দেখার কেউ নেই। বাসমালিক ও চালকেরা যদি একটু সচেতন হন, তাহলে পরিবেশদূষণ কমানো সম্ভব। এমনকি বাসের মধ্যেও টবে গাছ রেখে তা করা যায়। ঘরে গাছ রাখা গেলে বাসে রাখা যাবে না কেন?

আসলে ঘটনাটি গত সপ্তাহের। রাজধানীর আল মক্কা বাসে উঠতেই থ মেরে গেলাম। কারণ, চালকের পাশে বেশ কয়েকটি গাছ। সুন্দর টবে বসানো গাছগুলো। ভাবলাম বুঝি প্লাস্টিকের। যেভাবে সর্বত্র প্লাস্টিক ছড়িয়ে পড়েছে। আসলে বোঝা যাচ্ছিল না প্রাকৃতিক না প্লাস্টিক। পরে বাসের তত্ত্বাবধায়কের কাছে জানতে চাইলাম, কী ব্যাপার। প্লাস্টিকের গাছ, নাকি আসল গাছ। মুচকি হেসে বললেন, প্লাস্টিকের গাছ না। প্রাকৃতিক, প্রাণ আছে এমন গাছ। একটা গাঁদা ফুলের গাছ মনে হলো। গাছ দেখলে সুন্দর লাগে। পরিবেশদূষণ কম হবে। তাই বাসচালক গাছ রেখেছেন। বাসের মালিকের নাকি সম্মতি আছে এ ব্যাপারে।

পরিবেশ, প্রকৃতি, গাছ নিয়ে কাজ করা স্বেচ্ছাসেবী সংগঠনগুলো বাসে সবুজায়নের কাজ করতে পারে। বাসমালিক, চালক, চালকের সহকারীদের নিয়ে তারা বসতে পারে। স্বেচ্ছাসেবী সংগঠনগুলো বাসমালিক, চালক, চালকের সহকারীদের বোঝাতে পারে। এ জায়গাটায় কোনো কাজ নেই। মালিক, চালক, চালকের সহকারীকে যদি পরিবেশ সম্পর্কে সচেতন করা যায়, তাহলে দৃশ্যপট পাল্টে যাবে। কেউ বলেনি। কেউ বোঝায়নি। তবুও বাসচালক গাছ রেখেছেন।

default-image

দেশে হাজারো বাস চলাচল করে। এর সামান্য কিছু বাসেও গাছ রাখা গেলে, চালকদের সচেতন করা হলে খানিকটা হলেও দৃশ্যপট পাল্টে যেতে পারে।

যে বা যারা পরিবেশ দূষণ করে, যাদের দ্বারা পরিবেশ দূষিত হয়, তাদের নিয়েই আগে কাজটা শুরু করা দরকার। সামাজিক যোগাযোগমাধ্যম ফেসবুককেন্দ্রিক গাছের যত গ্রুপ আছে, তারাও এগিয়ে আসতে পারে। সবার দৃষ্টি আকর্ষণ করছি, ব্যাপারটি নিয়ে।

*লেখক: বেসরকারি প্রতিষ্ঠানের সেলস কর্মকর্তা

বিজ্ঞাপন
বাংলাদেশ থেকে আরও পড়ুন
মন্তব্য করুন