বিজ্ঞাপন
বিজ্ঞাপন
default-image

সরকার গত বুধবার দিবাগত রাতে ডিজেলের দাম লিটারে ১৫ টাকা বাড়িয়ে দেয়। বৃদ্ধির হার ২৩ শতাংশ। সরকারের এই সিদ্ধান্তের পর আজ শুক্রবার সকাল থেকে ট্রাক, কাভার্ড ভ্যান ও লরিচালক-মালিকেরা গাড়ি চলাচল বন্ধ রাখার ঘোষণা দেন। তাঁদের সঙ্গে যোগ দেন বাসচালক-মালিকেরা।

চট্টগ্রাম থেকে দূরপাল্লার সব বাস ছাড়ে নগরের অলংকার ও এ কে খান মোড় থেকে। আজ সকালে উভয় স্থানে গিয়ে দেখা যায়, বাসের সব কাউন্টার বন্ধ। কাউন্টারের সামনে ও রাস্তায় যাত্রীদের ভিড়।

default-image

মিরসরাই থেকে চিকিৎসার জন্য পাঁচ দিন আগে চট্টগ্রাম শহরে আসেন আবদুর রহমান। তিনি আজ সকালে বাস কাউন্টারে এসে জানতে পারেন ধর্মঘট। তাই নিরুপায় হয়ে বসে থাকেন কাউন্টারের সামনে।

একই অবস্থা কুমিল্লায় যাওয়ার জন্য বাস ধরতে আসা রহিমা আক্তারের। তিনি প্রথম আলোকে বলেন, কবে বাস চালু হবে কে জানে!

এই দুজনের মতো অন্য যাত্রীদেরও অসহায় হয়ে বাসের কাউন্টারের সামনে দাঁড়িয়ে থাকতে দেখা গেছে।

default-image

আজ শুক্রবার ছুটির দিন হওয়ায় নগরের রাস্তায় মানুষের ভিড় কম। নগরের মুরাদপুর, জিইসি মোড় ও টাইগারপাস এলাকায় আজ বাস চলাচল তেমন একটা দেখা যায়নি। তবে মাঝেমধ্যে দু-একটি বাস চলতে দেখা গেছে। এই বাসগুলো ছিল যাত্রীতে ঠাসা।

চট্টগ্রাম বিশ্ববিদ্যালয়ে আজ ভর্তি পরীক্ষা থাকায় বিশ্ববিদ্যালয় থেকে নিউমার্কেটগামী বাস চলাচল করতে দেখা গেছে। এই রুটের বাস চালক হাসান মিয়া প্রথম আলোকে বলেন, পরীক্ষার্থীদের কথা চিন্তা করে তাঁরা আজ বাস চালাচ্ছেন।

চট্টগ্রাম সড়ক পরিবহন মালিক গ্রুপের মহাসচিব মঞ্জুরুল আলম আজ প্রথম আলোকে বলেন, ‘আমরা কেউ ধর্মঘটের ডাক দিইনি। তেলের দাম বাড়ানো হয়েছে। কিন্তু বাসভাড়া বাড়ানোর বিষয়ে কোনো সিদ্ধান্ত আসেনি। বাড়তি ভাড়া নিতে গেলে যাত্রীদের সঙ্গে বাসচালকের বাগ্‌বিতণ্ডা হবে। তাই বাস চলছে না। আর যাঁদের আগে থেকে তেল মজুত আছে, সেসব চালক রাস্তায় বাস নামিয়েছেন।’

মঞ্জুরুল আলম জানান, আজ বিকেল তিনটায় নগরের বিআরটিসি এলাকায় তাঁরা বৈঠকে বসবেন। এই বৈঠকে পরবর্তী পদক্ষেপ সম্পর্কে সিদ্ধান্ত নেওয়া হবে।

বাংলাদেশ থেকে আরও পড়ুন
মন্তব্য করুন
বিজ্ঞাপন
বিজ্ঞাপন