default-image

বিএনপির উদ্দেশে হুঁশিয়ারি দিয়ে আওয়ামী লীগের সাধারণ সম্পাদক ওবায়দুল কাদের বলেছেন, তাদের (বিএনপি) কোনো অপকর্ম বিনা চ্যালেঞ্জে ছেড়ে দেওয়া হবে না।

সড়ক পরিবহন ও সেতুমন্ত্রী ওবায়দুল কাদের আজ রোববার সকালে তাঁর সরকারি বাসভবনে সমসাময়িক বিষয় নিয়ে আয়োজিত নিয়মিত সংবাদ সম্মেলনে এ কথা বলেন।

ওবায়দুল কাদের বলেন, জেল, জুলুম, নির্যাতন ও রাজপথ থেকে উঠে আসা জনগণের সংগঠন আওয়ামী লীগকে আন্দোলনের ভয় দেখিয়ে কোনো লাভ নেই। বিএনপির কোনো অপকর্ম বিনা চ্যালেঞ্জে ছেড়ে দেওয়া হবে না।

নির্বাচনে ব্যর্থ ও পরাজিত হয়ে বিএনপির নেতারা এখন হাঁকডাক শুরু করেছেন বলে মন্তব্য করেন সড়ক পরিবহনমন্ত্রী। তিনি বলেন, বিএনপির মাঠ গরমের অপচেষ্টা সফল হবে না। পরাজিত প্রার্থীদের রোদনভরা ব্যর্থতার কাহিনি শুনে জনগণের কী লাভ হবে—সে প্রশ্ন তোলেন আওয়ামী লীগের সাধারণ সম্পাদক।

বিএনপির নেতাদের নিজস্ব কোনো বক্তব্য নেই, টেমস নদীর পাড় থেকে পাঠানো ফরমায়েশি বার্তা তাঁরা তোতাপাখির মতো পড়েন বলে মন্তব্য করেন ওবায়দুল কাদের। তিনি বলেন, টেমস নদীর তীর থেকে ঘোষণা দিয়ে পদ্মা-মেঘনা-যমুনায় জোয়ার আনা যাবে না। জনবিচ্ছিন্ন ও নেতিবাচক রাজনীতির কারণে বিএনপির ক্ষমতার মসনদে আরোহণের দিবাস্বপ্ন অধরাই থেকে যাবে।

বিজ্ঞাপন

কারও নাম উল্লেখ না করে ওবায়দুল কাদের বলেন, লন্ডনকে খুশি করার জন্যই বিএনপির নেতারা মিথ্যাচারের প্রতিযোগিতায় নেমেছেন।

আওয়ামী লীগের সাধারণ সম্পাদক বলেন, বিএনপির নয়াপল্টন অফিস হচ্ছে গুজবের ফ্যাক্টরি। সেই ফ্যাক্টরি থেকে আসা অপপ্রচারের বাণী খোদ বিএনপির নেতাদের মধ্যেই অবিশ্বাসের দেয়াল তৈরি করছে।

মিডিয়ায় আন্দোলনের ঝড় তুললেও বাস্তবে বিএনপির নেতারা রাজপথে থাকেন না বলে উল্লেখ করেন ওবায়দুল কাদের। তিনি বলেন, কেউ কেউ মাঠে থাকলেও ফেসবুকে দেওয়ার জন্য ছবি তোলেন। এরপর পালানোর পথ খোঁজেন।

আওয়ামী লীগের সাধারণ সম্পাদক বলেন, বক্তব্য-বিবৃতিতে খালেদা জিয়ার জন্য বিএনপির নেতারা প্রাণ দেওয়ার বাসনা ব্যক্ত করলেও তাঁর মুক্তির জন্য ঢাকা শহরে ৫০০ লোকের একটি মিছিলও তাঁদের করতে দেখেনি জনগণ। তাঁরা তাঁদের নেত্রীর মুক্তি ও চিকিৎসা চেয়ে রাজনীতি করেছেন বেশি।

সড়ক পরিবহনমন্ত্রী বলেন, বিএনপির নেতাদের বক্তৃতায় কথার ফুলঝুরি ছুটলেও তাঁরা রাজপথকে ভয় পান। আন্দোলনকে ভয় পান। এখন তাঁরা জনগণকেও ভয় পান। জনবিচ্ছিন্ন হয়ে বিএনপি ভয়ের বৃত্তে এখন আবর্তিত হচ্ছে।

বিএনপিকে উদ্দেশ করে সেতুমন্ত্রী বলেন, ৫০০ সদস্যের ঢাউস কমিটি থাকা সত্ত্বেও একটি বড় মিছিল যারা করতে পারে না, তাদের মেরুদণ্ডের শক্তি সম্পর্কে জনগণ বুঝতে পেরেছে বলেই নির্বাচনে তাদের ভোট দেয় না।

বাংলাদেশ থেকে আরও পড়ুন
মন্তব্য করুন