গত বছরের ১০ ডিসেম্বর গুরুতর মানবাধিকার লঙ্ঘনের অভিযোগে র‌্যাব ও বাহিনীটির সাবেক ও বর্তমান সাত কর্মকর্তার বিরুদ্ধে নিষেধাজ্ঞা আরোপ করে যুক্তরাষ্ট্রের রাজস্ব বিভাগ ও পররাষ্ট্র দপ্তর। ওই নিষেধাজ্ঞা দুই দেশের সম্পর্কে একধরনের অস্বস্তি তৈরি করেছিল। এরপর থেকে চার মাস বাংলাদেশে বিচারবহির্ভূত হত্যা বন্ধ ছিল।

গত দুই মাসে ঢাকা ও ওয়াশিংটনে বিভিন্ন পর্যায়ের আলোচনায় বাংলাদেশের পক্ষ থেকে র‌্যাবের ওপর থেকে নিষেধাজ্ঞা প্রত্যাহারের বিষয়টি জোর দিয়ে তোলা হয়। তবে মার্কিন কর্তৃপক্ষ স্পষ্ট করেই জানিয়েছে, এ ধরনের নিষেধাজ্ঞা প্রত্যাহারের বিষয়টি একটি প্রক্রিয়া অনুসরণ করে চলে, যা কিছুটা সময়সাপেক্ষ।

এর আগে রোববার রাজধানীতে এক সেমিনারে বক্তব্যে ঢাকায় নিযুক্ত মার্কিন রাষ্ট্রদূত পিটার হাস বলেন, র‌্যাবের বিরুদ্ধে গুরুতর মানবাধিকার লঙ্ঘনের যে অভিযোগ রয়েছে, তা সুরাহার ক্ষেত্রে সুনির্দিষ্ট পদক্ষেপ নেওয়া না হলে এবং বাহিনীর সদস্যদের জবাবদিহি নিশ্চিত না হলে আরোপিত নিষেধাজ্ঞা প্রত্যাহারের কোনো সুযোগ নেই।

বাংলাদেশ ইনস্টিটিউট অব ইন্টারন্যাশনাল অ্যান্ড স্ট্র্যাটেজিক স্টাডিজ (বিআইআইএসএস-বিস) বাংলাদেশ-যুক্তরাষ্ট্র সম্পর্ক নিয়ে ওই সেমিনারের আয়োজন করে। সেখানে প্রধান অতিথি ছিলেন পররাষ্ট্রমন্ত্রী এ কে আব্দুল মোমেন।

ওই সেমিনারে আমন্ত্রিত অতিথি হিসেবে মুক্ত আলোচনায় বক্তৃতা দিতে গিয়ে র‌্যাবের মহাপরিচালক চৌধুরী আবদুল্লাহ আল–মামুন যুক্তরাষ্ট্রের সঙ্গে র‌্যাব সহযোগিতা অব্যাহত রাখতে চায় বলে উল্লেখ করেন।

বাংলাদেশ থেকে আরও পড়ুন
মন্তব্য করুন