বেসরকারি টেলিভিশন চ্যানেলে বিজ্ঞাপনদাতার নামে বা সৌজন্যে সংবাদ শিরোনাম বা সংবাদের সেগমেন্ট প্রচার করা যাবে না বলে গত বছরের ৬ মে রায় দিয়েছিলেন হাইকোর্ট। এই রায়ের বিরুদ্ধে চ্যানেল আই, বিটিআরসি ও দীপ্ত টিভি চলতি বছর পৃথক লিভ টু আপিল করে, যা আজ শুনানির জন্য ওঠে।

আদালতে চ্যানেল আইয়ের পক্ষে শুনানি করেন জ্যেষ্ঠ আইনজীবী এ এম আমিন উদ্দিন, যিনি অ্যাটর্নি জেনারেলও। অপর আবেদনকারী দীপ্ত টিভির পক্ষে শুনানিতে ছিলেন আইনজীবী মুরাদ রেজা। বিটিআরসির পক্ষে শুনানিতে ছিলেন আইনজীবী খন্দকার রেজা-ই রাকিব।

পরে জ্যেষ্ঠ আইনজীবী এ এম আমিন উদ্দিন প্রথম আলোকে বলেন, লিভ টু আপিলের শুনানি না হওয়া পর্যন্ত হাইকোর্টের রায়ের কার্যকারিতা স্থগিত করা হয়েছে। ফলে, বেসরকারি টেলিভিশন চ্যানেলে বিজ্ঞাপনদাতার নামে বা সৌজন্যে সংবাদ শিরোনাম বা সংবাদের সেগমেন্ট প্রচারে আইনগত বাধা নেই।

বেসরকারি টেলিভিশন চ্যানেলে সংবাদের শিরোনামের টাইটেলগুলো স্পনসরের (বিজ্ঞাপনদাতার) নামে প্রচারের বৈধতা চ্যালেঞ্জ করে ২০১১ সালে গভর্নমেন্ট ল্যাবরেটরি স্কুলের অবসরপ্রাপ্ত শিক্ষক এম মতিন হাইকোর্টে একটি রিট করেন। এর প্রাথমিক শুনানি নিয়ে ২০১১ সালের ১০ অক্টোবর হাইকোর্ট রুল দেন। রিট আবেদনকারীর মৃত্যুর পর ফারুক মো. হাসিব নামের একজন ব্যবসায়ী মতিনের স্থলে আবেদনকারী হন। ওই রুলের শুনানি শেষে গত বছরের ৬ মে হাইকোর্ট রায় দেন।

বেসরকারি টেলিভিশন চ্যানেলে বিজ্ঞাপনদাতার নামে বা সৌজন্যে সংবাদ শিরোনাম বা সংবাদের সেগমেন্ট প্রচার করা যাবে না উল্লেখ করে হাইকোর্টের রায়ে বলা হয়, ২০১৯ সালের ১ সেপ্টেম্বর থেকে এটি কার্যকর হবে। তবে সংবাদের শুরুতে, মাঝে ও শেষে বিজ্ঞাপন প্রচার করা যাবে বলে রায়ে বলা হয় বলে তখন জানিয়েছিলেন সংশ্লিষ্ট আইনজীবীরা।