বিজ্ঞাপন
বিজ্ঞাপন

১ অক্টোবর থেকে দেশে বিজ্ঞাপনসহ কোনো বিদেশি চ্যানেলের সম্প্রচার করা যাবে না, সরকার এমন নির্দেশনা আগেই দিয়েছিল। এর ছয় মাস আগে এপ্রিলে একবার সরকার এ নির্দেশনা বাস্তবায়ন করতে চেয়েছিল। কিন্তু সেটা পিছিয়ে ১ অক্টোবর করা হয়।

সে প্রসঙ্গ তুলে মোজাম্মেল বাবু বলেন, সরকার কেব্‌ল টিভির নীতিমালা ও বিধি অনুসারে বিদেশি চ্যানেল বিজ্ঞপনশূন্য সম্প্রচার করার জন্য ৩০ সেপ্টেম্বর পর্যন্ত সময় বেঁধে দিয়েছিল। এতে অপরাগ হলে বন্ধ করে দেওয়ার নির্দেশনা আগেই দিয়ে রেখেছিল। অ্যাটকো সরকারি এ সিদ্ধান্তকে সাধুবাদ জানায়। ইতিমধ্যে কেব্‌ল অপারেটরদের পক্ষ থেকে সময় প্রার্থনা করা হয়েছে। সরকার নিজস্ব বিবেচনায় তা করবে।

মোজাম্মেল বাবু বলেন, বিশ্বের সব দেশে এ আইন বলবৎ আছে। বাংলাদেশে ২০০৬ সালে এ–সংক্রান্ত আইন হয়েছে। বিধিমালা হয়েছে ২০১০ সালে। বিশ্বের কোনো দেশে বাংলাদেশি চ্যানেল চালু করতে হলে অবশ্যই চ্যানেলকে ক্লিন ফিড বা বিজ্ঞাপনশূন্য হতে হয়। সব দেশ এই আইন কঠোরভাবে মেনে চলে।

বিদেশি চ্যানেল বিজ্ঞাপনশূন্য না হওয়ায় বাংলাদেশের অন্তত ১ হাজার ২০০ কোটি টাকা ক্ষতি হয় বলে জানান মোজাম্মেল বাবু। তিনি বলেন, এর মধ্যে ভ্যাট বা অন্যান্য কর হিসেবে সরকারের প্রাপ্য থাকে এক–চতুর্থাংশ বা ৩০০ কোটি টাকা। আর বাকি অর্থ বিজ্ঞাপন হিসেবে বিভিন্ন টিভি চ্যানেল, পোর্টালের প্রাপ্য। পরিস্থিতি এমন হয়েছে যে এখন প্রায় কোনো বিদেশি পণ্যের বিজ্ঞাপন পাওয়া সম্ভব হয় না।

এক প্রশ্নের জবাবে মোজাম্মেল বাবু বলেন, প্রযুক্তির প্রয়োগ করেই চ্যানেল ক্লিন ফিড করে সম্প্রচার সম্ভব। এটা আছে। এখন প্রযুক্তির সহায়তা নিতে হবে। আর ক্লিন ফিড করলে সম্প্রচারে কোনো বাধা নেই। থাকবেও না।

মোজাম্মেল বাবু বলেন, বর্তমান পরিস্থিতিতে কেব্‌ল অপারেটরদের সঙ্গে তাঁদের নিয়মিত যোগাযোগ রয়েছে। সরকার তার আইন প্রয়োগ করেছে। কোনো কোনো ক্ষেত্রে সরকারকে কঠোর হতেই হয়। সব আইন নিয়ে সবাই ঐক্যমত্য হয় না। তারপরও আইন মানতে হয়।

বাংলাদেশ থেকে আরও পড়ুন
মন্তব্য করুন
বিজ্ঞাপন
বিজ্ঞাপন