বিজ্ঞাপন
বিজ্ঞাপন

একটি রিটের প্রাথমিক শুনানি নিয়ে সোমবার বিচারপতি এম ইনায়েতুর রহিম, বিচারপতি মো. মোস্তাফিজুর রহমান সমন্বয়ে গঠিত হাইকোর্ট বেঞ্চে রুলসহ এ আদেশ দেন। রুলে বিদ্যুতায়িত হয়ে ডান হাত ও ডান পা হারোনো শিশুটিকে পর্যাপ্ত ক্ষতিপূরণ দিতে কেন নির্দেশ দেওয়া হবে না, তা জানতে চাওয়া হয়েছে। পরবর্তী শুনানির জন্য ১৮ নভেম্বর দিন রেখেছেন আদালত।

বিদ্যুতায়িত হয়ে শিশুটির অঙ্গহানির ঘটনায় ১০০ কোটি টাকা ক্ষতিপূরণ প্রদানের নির্দেশনা চেয়ে ৪ নভেম্বর শিশুটির বাবা ওই রিট আবেদন করেন। আদালতে রিটের পক্ষে শুনানিতে ছিলেন আইনজীবী তাজুল ইসলাম ও মুহম্মদ তারিকুল ইসলাম। রাষ্ট্রপক্ষে ছিলেন ডেপুটি অ্যাটর্নি জেনারেল বিপুল বাগমার।

পরে মুহম্মদ তারিকুল ইসলাম প্রথম আলোকে বলেন, সাতক্ষীরার আশাশুনি থানার প্রতাপনগরের মো. আবদুর রাজ্জাকের বসতবাড়ির ওপর দিয়ে নকশাবহির্ভূত বিদ্যুতের লাইনে গত ৯ মে বিদ্যুতায়িত হয় তাঁর সাত বছরের ছেলে শিশু রাকিবুজ্জামান। এতে শিশুটির হাড়-মাংস ঝলসে যায়। শেখ হাসিনা জাতীয় বার্ন অ্যান্ড প্লাস্টিক সার্জারি ইনস্টিটিউটে চিকিৎসাধীন অবস্থায় ১২ মে শিশুটির ডান হাত বগল থেকে ও ডান পায়ের হাঁটু থেকে নিচের অংশ কেটে ফেলা হয়। এ ঘটনায় ক্ষতিপূরণ চেয়ে গত ২৫ মে শিশুটির বাবা সাতক্ষীরা পল্লীবিদ্যুৎ সমিতিসহ সংশ্লিষ্টদের কাছে ক্ষতিপূরণ ও যথাযথ ব্যবস্থা নিতে আবেদন করেন। এতে দৃশ্যমান কোনো পদক্ষেপ না দেখে শিশুটির বাবা রিটটি করেন। মো. আবদুর রাজ্জাকের বাড়িতে পুনরায় বিদ্যুৎ-সংযোগ দিতেও নির্দেশ দিয়েছেন আদালত।

বিদ্যুৎ, জ্বালানি ও খনিজসম্পদ সচিব, বাংলাদেশ পল্লী বিদ্যুৎ উন্নয়ন বোর্ডের চেয়ারম্যান, পল্লী বিদ্যুৎ সমিতির জেনারেল ম্যানেজার, সাতক্ষীরার জেলা প্রশাসক, প্রধান বিদ্যুৎ পরিদর্শকসহ আট বিবাদীকে এক সপ্তাহের মধ্যে রুলের জবাব দিতে বলা হয়েছে।

বাংলাদেশ থেকে আরও পড়ুন
মন্তব্য করুন
বিজ্ঞাপন
বিজ্ঞাপন