বিজ্ঞাপন
বিজ্ঞাপন

ঢাকামুখী লোকজনের সঙ্গে কথা বলে জানা গেছে, বিধিনিষেধের ঘোষণা আসার পর তাঁরা ঢাকা থেকে গ্রামের বাড়িতে গিয়েছিলেন। বুধবার থেকে সব ধরনের সরকারি-বেসরকারি অফিস চালু হয়ে যাচ্ছে। তাই কর্মস্থলে যোগ দিতে তাঁরা আগেই বাড়ি থেকে রওনা হয়েছেন।

বরিশালের বাসিন্দা শামীম আহমেদ বলেন, ‘এত দিন অফিস বন্ধ ছিল। বাড়িতে থাকতে পেরেছি। এখন জীবিকার তাগিদে ঢাকায় যেতে হচ্ছে। ১১ তারিখ অফিস খুলবে। তার আগে ঢাকায় না পৌঁছাতে পারলে সমস্যায় পড়ব। তাই কষ্ট মাথায় নিয়েই ঢাকায় যাচ্ছি।’

খুলনার বাসিন্দা অনুপ রায় বলেন, সিএনজিচালিত অটোরিকশাসহ ছোট ছোট যানে করে ঘাট পর্যন্ত আসতে পেরেছেন। এ জন্য বেশ কয়েকবার গাড়ি পাল্টাতে হয়েছে। ভাড়া অনেক বেশি হলেও পথে পুলিশ কোনো ঝামেলা করেনি। নদী পারাপারেই দুর্ভোগই বেশি। এক ঘণ্টা রোদের মধ্যে দাঁড়িয়ে থাকার পরে ভিড় ঠেলে ফেরিতে উঠতে পেরেছেন তিনি।

আইনশৃঙ্খলা রক্ষাকারী বাহিনী ও ঘাট কর্তৃপক্ষ বলছে, সোমবার সকালেও এই ঘাটে লোকজনের চাপ তেমন ছিল না। বেলা ১১টার দিকে ভিড় বাড়তে থাকে। বেলা দুইটা পর্যন্ত প্রচণ্ড ভিড় ছিল। বিকেল চারটার পর থেকে পরিস্থিতি কিছুটা স্বাভাবিক হয়।

বাংলাবাজার ঘাটের দায়িত্বে থাকা ট্রাফিক পুলিশের পরিদর্শক (টিআই) জামালউদ্দিন বিকেল সাড়ে চারটায় প্রথম আলোকে বলেন, এখনো অনেক মানুষ পারাপার হচ্ছেন। যানবাহনের চাপ সকালের দিকে খুব বেশি ছিল। এখন যা অবস্থা, তাতে ছোট গাড়ির চাপ সন্ধ্যার মধ্যেই শেষ হয়ে যাবে। তবে ঘাটের টার্মিনালে দুই শতাধিক পণ্যবাহী ট্রাক পারাপারের অপেক্ষায় আছে। যাত্রীর চাপ কমলে সেগুলোর পারাপারের ব্যবস্থা হবে।

বিআইডব্লিউটিসির বাংলাবাজার ফেরিঘাটের ব্যবস্থাপক (বাণিজ্য) সালাউদ্দিন আহমেদ বলেন, ‘পদ্মায় তীব্র স্রোত না কমলে ফেরি চলাচল স্বাভাবিক হবে না। আমরা খুবই সতর্কতার সঙ্গে ১০টি ফেরি চালু রেখেছি। এগুলো দিয়ে আমরা জরুরি প্রয়োজনে আসা যানবাহন ও যাত্রীদের পারাপার করছি।’

বাংলাদেশ থেকে আরও পড়ুন
মন্তব্য করুন
বিজ্ঞাপন
বিজ্ঞাপন