গোলছোন্দ এলাকার বাসিন্দা কেরামত আলী বলেন, পানির স্রোত অনেক বেশি ছিল। যেখানে যেখানে সড়কের পাশে বড় গাছ আছে, ওই সব অংশে রাস্তা কিছুটা ভালো আছে। কিন্তু যেখানে গাছ নেই, ওই অংশে কোথাও রাস্তা ভেঙে গেছে, কোথাও আবার ভাঙা ভাঙা অবস্থায়।

এ ছাড়া সিলেট সদরের বলাউরা, জাঙ্গাইল, ছাতকের গুরগাঁও, তাজপুর, সুফিনগর এলাকাসহ নয়টি স্থানে রাস্তার ওপর দিয়ে পানি প্রবাহিত হচ্ছিল। পানির পরিমাণ কোথাও কোথাও চার থেকে ছয় উঞ্চি পর্যন্ত। কোথাও আবার প্রায় হাঁটুপানি।

ছাতকের গুরগাঁও এলাকায় যাওয়ার রাস্তাতেও প্রায় হাঁটুসমান পানি দেখা গেছে। গতকাল সোমবারও সেখানে প্রায় কোমরসমান পানি ছিল বলে স্থানীয় লোকজন জানান।

default-image

এ গ্রামের বাসিন্দা আবদুল সাত্তার বন্যার পানিতে মাছ ধরার চেষ্টা করছিলেন। তিনি বলেন, গতকাল দুপুর পর্যন্ত রাস্তা দিয়ে যাওয়া পানির স্রোতের কারণে হেঁটে চলাচল করারও উপায় ছিল না। বিকেলের দিকে পানি হাঁটুর কিছু নিচে নামে।

অন্যদিকে, কিছু কিছু জায়গার হাটবাজার এলাকায় বন্যার পানি কিছুটা কমে যাওয়ায় কেউ কেউ দোকান খুলেছেন। সিলেটের উপশহর আউশা ও টুকের বাজার এলাকায় অনেক দোকানিকে দোকান খুলে মালপত্র গোছাতে দেখা গেছে।

বাংলাদেশ থেকে আরও পড়ুন
মন্তব্য করুন