default-image

ব্যাট-বল হাতে একদল তরুণ-তরুণী। পরনে বাংলাদেশের জার্সি। শিশু একাডেমীর মাঠকে পিচ বানিয়ে ক্রিকেট খেলায় মেতে উঠেছেন তাঁরা। কড়া রোদও যেন তুচ্ছ তাঁদের কাছে। আশপাশের কয়েকজনও যোগ দিয়েছেন এই দলে। বোঝাই যাচ্ছে ক্রিকেট বিশ্বকাপের উন্মাদনা ছড়িয়ে পড়েছে সবখানে। গত বৃহস্পতিবার দুপুরের চিত্র এটি।
এই তরুণ-তরুণীরা নগরের ইস্ট ডেল্টা বিশ্ববিদ্যালয়ের শিক্ষার্থী। এই দলের একজন সামিউল। তিনি বলেন, ‘আড্ডা চলছিল ক্রিকেট নিয়ে। বন্ধুরা বলল, চল, ক্রিকেট খেলি। যে-ই কথা সে-ই কাজ। জার্সি, ব্যাট-বল জোগাড় করে খেলা শুরু।’ সামিউলের সঙ্গে কথা বলার ফাঁকে জড়ো হলেন জহুরুল হক, আবিয়াজ আবরার ও ইসা আলম। ক্রিকেট নিয়ে কথা হচ্ছে দেখে আগ বাড়িয়ে তাঁরাও যোগ দিলেন। জমে উঠল আড্ডা।
বিশ্বকাপে বাংলাদেশ দলের প্রথম ম্যাচে আফগানিস্তানকে হারিয়েছে বিশাল রানের ব্যবধানে। এই জয়ে কেমন লাগছে? প্রশ্ন করতেই সমস্বরে উত্তর, ‘খুব ভালো।’
তাঁরা বললেন, ‘এবারের বাংলাদেশ দল থেকে আমাদের প্রত্যাশা অনেক। আমরা চাই তারা নিজেদের সেরা খেলাটা খেলুক বিশ্বকাপের মাঠে। বাংলাদেশ দল যদি তাদের সেরা খেলাটা খেলে, তাহলে যে কাউকে হারাতে পারবে।’ এবার আড্ডায় যোগ দিলেন তাজিমা হোসেন, তানিকা আহমেদ ও মাইশা নুজহাত। তাঁরা ব্যস্ত খেলোয়াড়দের বন্দনায়। এঁদের কারও পছন্দ সাকিব, আবার কারও মুশফিক, তামিম কিংবা তাসকিন। নিজেদের পছন্দের খেলোয়াড়েরা ম্যাচে কে কী করতে পারেন, এ নিয়ে হিসাব কষছেন তাঁরা।
তাজিমা হোসেন বললেন, সাকিব যে সেরা, সেটা বারবার প্রমাণিত হয়। আফগানিস্তানের সঙ্গে ম্যাচেও নিজেকে উজাড় করে খেলেছেন। ভালো রান করেছেন, উইকেটও নিয়েছেন। তাঁর মুখ থেকে কথা কেড়ে নিয়ে মাইশা নুজহাত বললেন, মুশফিকও কম কিসে। সেদিন ৭১ রান করে তো তাক লাগিয়ে দিয়েছেন।
এতক্ষণ চুপ থাকা তানিকা আহমেদ এবার কথা বললেন একেবারে বিজ্ঞের মতোই। তাঁর মতে, টিম বাংলাদেশকেই ভালো করতে হবে। তবেই ধরা দেবে আরও সাফল্য। তাঁর কথায় সায় দিলেন সবাই।

বিজ্ঞাপন
বাংলাদেশ থেকে আরও পড়ুন
মন্তব্য করুন