বিজ্ঞাপন
বিজ্ঞাপন

নাটোর–২ আসনের সাংসদ শফিকুল ইসলামের স্ত্রী শামীমা সুলতানা জান্নাতীর নামে কানাডায় বাড়ি কেনার খবর নিয়ে সানরাইজ সমাজকল্যাণ সংস্থার সভাপতি মো. রেজাউল চৌধুরী ওই আবেদন করেন।

এর আগে গত ১৮ নভেম্বর এক অনুষ্ঠানে পররাষ্ট্রমন্ত্রী এ কে আব্দুল মোমেন বিদেশে অর্থ পাচার বিষয়ে কথা বলেন। তিনি বলেন, ‘তাঁর কাছে ২৮টি কেস এসেছে। এর মধ্যে রাজনীতিবিদ হলেন চারজন।’

এ বিষয়ে গণমাধ্যমে আসা প্রতিবেদন বিবেচনায় নিয়ে গত ২২ নভেম্বর হাইকোর্ট স্বতঃপ্রণোদিত রুলসহ আদেশ দেন। এর ধারাবাহিকতায় গত ১৭ ডিসেম্বর আদালত দেশের বাইরে অর্থ পাচারে জড়িত ও পাচার করা অর্থে যাঁরা বিদেশে বাড়ি তৈরি করেছেন, তাঁদের নাম-ঠিকানা ও তাঁদের বিষয়ে কী পদক্ষেপ নেওয়া হয়েছে, সে বিষয়ে সুনির্দিষ্ট তথ্য জানতে সময় নির্ধারণ করে দেন।

পরে গত বছরের ২১ ডিসেম্বর আদালত বাংলাদেশি নাগরিক যাঁদের দ্বৈত নাগরিকত্ব ও পাসপোর্ট আছে এবং যাঁরা দেশের বিমানবন্দরগুলো দিয়ে নিয়মিত যাতায়াত করেন, তাঁদের বিষয়ে তথ্য জানাতে নির্দেশ দেন।

এরপর চলতি বছরের ৩১ মার্চ পুলিশের বিশেষ শাখার (অভিবাসন) পুলিশ সুপারের এক প্রতিবেদনের বরাত দিয়ে রাষ্ট্রপক্ষ জানায়, দ্বৈত নাগরিকত্ব ও পাসপোর্টধারী ব্যক্তির সংখ্যা ১৩ হাজার ৯৩১। এই মামলায় পক্ষভুক্ত হতে আবেদন করেন রেজাউল।

শুনানিতে দুদকের আইনজীবী খুরশীদ আলম খান বলেন, যিনি পক্ষভুক্ত হতে এসেছেন, তাঁর কাছে বিশ্বাসযোগ্য তথ্য থাকলে তা আদালতে দিতে পারেন।

আবেদনকারীর আইনজীবী মো. আবদুর রাজ্জাক বলেন, পুলিশের বিশেষ শাখার (অভিবাসন) প্রতিবেদনে যাঁরা দেশের বিমানবন্দরগুলো দিয়ে নিয়মিত যাতায়াত করেন, সেই তালিকায় শামীমা সুলতানা জান্নাতীর নাম নেই। অথচ পত্রিকায় আসা প্রতিবেদনে দেখা যায়, জান্নতীর নামে কানাডায় বাড়িও আছে। সম্পত্তি যে কিনেছেন, সেই দলিলের কপিও আবেদনকারীর কাছে আছে। আদালতকে সহায়তা করতে চান তাঁরা।

তখন ডেপুটি অ্যাটর্নি জেনারেল আমিন উদ্দিন মানিক বলেন, তদন্ত সংস্থা তদন্ত করছে, সেখানে তথ্য ও কাগজাদি দিতে পারেন। মামলায় পক্ষভুক্ত হওয়ার দরকার নেই। এ রকম হলে অনেকেই পক্ষভুক্ত হতে আসবে, এতে জটিলতা দেখা দেবে। তালিকায় নাম বাদ পড়েছে, দ্বৈত নাগরিক হিসেব তাঁদের নাম অন্তর্ভুক্ত করতে বলা হবে।

বাংলাদেশ থেকে আরও পড়ুন
মন্তব্য করুন
বিজ্ঞাপন
বিজ্ঞাপন