default-image

গ্রামীণফোন-প্রথম আলো আই-জেন প্রতিযোগিতা গতকাল শনিবার চট্টগ্রাম ও নীলফামারীতে অনুষ্ঠিত হয়েছে। প্রতিযোগিতায় ৩৪টি বিদ্যালয়ের ২১৭ জন শিক্ষার্থী বুদ্ধির লড়াইয়ে অংশ নেয়।
চট্টগ্রাম নগরের স্টেশন রোডের একটি হোটেলের মিলনায়তনে সকাল নয়টায় জাতীয় সংগীত পরিবেশনের মধ্য দিয়ে প্রতিযোগিতা শুরু হয়। এতে ১৮ বিদ্যালয়ের ১০৫ জন শিক্ষার্থী অংশ নেয়।
প্রতিযোগিতায় এমসিকিউ, গেম জোন ও দলীয় উপস্থাপনায় সর্বোচ্চ নম্বর পেয়ে সেরা নির্বাচিত হয় সিলভার বেলস বালিকা উচ্চবিদ্যালয়। বিভাগীয় পর্যায়ের জন্য নির্বাচিত হয় ওই বিদ্যালয়ের পাঁচ ছাত্রী উম্মে তাসকিন, মাইশা মিশকাত, ফারদিনা মুশফিরাত, নাবিলা তাসনিয়া ও আমিনা আহমেদ। বিচারক ছিলেন বিজিসি ট্রাস্ট বিশ্ববিদ্যালয়ের কম্পিউটার বিজ্ঞান ও প্রকৌশল বিভাগের প্রভাষক মিনহাজ হোসাইন।
বক্তব্য দেন প্রথম আলোর যুগ্ম সম্পাদক বিশ্বজিৎ চৌধুরী। তিনি শিক্ষার্থীদের উদ্দেশে বলেন, ‘পৃথিবী এখন তোমাদের হাতের মুঠোয়। ইন্টারনেটের সাহায্যে তোমরা বিশ্বকে জয় করতে পারবে। এর মাধ্যমে অনেক অজানাকে জানবে।’
জাতীয় সংগীতের মাধ্যমে নীলফামারী সরকারি কলেজ অডিটোরিয়ামে প্রতিযোগিতা শুরু হয় সকাল সাড়ে নয়টায়। অনুষ্ঠানে ১১২ জন শিক্ষার্থী এমসিকিউ পরীক্ষা, গেম জোন ও দলীয় উপস্থাপনায় অংশ নেয়। এতে দলীয় সর্বোচ্চ নম্বর পেয়ে নীলফামারী সরকারি বালিকা উচ্চবিদ্যালয় সেরা স্কুল নির্বাচিত হয়। বিজয়ীরা হলো মৌপিয়া রায়, আসমাউল হুসনা, মায়িশা ছামিহা, তিলোত্তমা
কারিশমা ও তানজিরিনি রহমান। চ্যাম্পিয়ন দলের হাতে ইয়েস কার্ড তুলে দেন বিচারক অধ্যক্ষ লায়লা আরজুমান্দ বানু ও প্রথম আলোর নীলফামারী প্রতিনিধি মীর মাহমুদুল হাসান।
আই-জেন আয়োজনে সহযোগিতা করছে শিক্ষা মন্ত্রণালয়। সহযোগী হিসেবে আছে অ্যালপেনলিবে, মাইক্রোসফট, অপেরা মিনি, এখানেই ডট কম, মিউচুয়াল ট্রাস্ট ব্যাংক, ফার্স্ট সিকিউরিটি ইসলামী ব্যাংক, উরি ব্যাংক, রেডিও ফুর্তি ও চ্যানেল আই। সার্বিক সহযোগিতা
করছে প্রথম আলো বন্ধুসভা। প্রতি জেলা থেকে গড়ে ১৬টি করে বিদ্যালয় অংশ নিচ্ছে এ প্রতিযোগিতায়।

বিজ্ঞাপন
মন্তব্য পড়ুন 0