default-image

ইলেকট্রিক্যাল ইঞ্জিনিয়ারিং বিভাগ থেকে ১৯৬৯ সালে পাস করেছেন মোহাম্মদ আলী। বাংলাদেশ প্রকৌশল বিশ্ববিদ্যালয়ের (বুয়েট) সাবেক এই শিক্ষার্থী এখন দেশের সুবৃহৎ একটি কোম্পানির কর্ণধার। তিনি বলছিলেন তাঁর বিশ্ববিদ্যালয়-জীবনের স্মৃতির কথা।
মোহাম্মদ আলী বলছিলেন, তৎকালীন হলের প্রাধ্যক্ষকে ‘বয়লার স্যার’ বলে ডাকতেন তাঁরা। তবে সেটা চুপি চুপি। কিন্তু একদিন কীভাবে যেন স্যার তা জেনে ফেলেন। তবে কিছু বলেননি। বরং রসিকতা করেছিলেন।
এভাবেই স্মৃতিময় একটি দিন পার করেছেন বুয়েটের সাবেকেরা। গতকাল শুক্রবার খেলার মাঠে তাঁদের ছিল ‘গ্র্যান্ড রিইউনিয়ন ২০১৫’। দিনব্যাপী আয়োজনে তাঁরা হারিয়ে গিয়েছিলেন অতীত রোমন্থনে। অ্যাসোসিয়েশন অব বুয়েট অ্যালামনাই এ অনুষ্ঠানের আয়োজন করে। খেলাধুলা, আঁকাআাঁকি আর বিনোদনে মেতেছিলেন সাবেক শিক্ষার্থীদের পরিবারের সদস্যরা। ছোটদের জন্য ছবি আঁকার প্রতিযোগিতা, নারী সদস্যদের পিলো পাসিংয়ের মতো নানা আয়োজনে উৎসবমুখর ছিল বুয়েট প্রাঙ্গণ। অনুষ্ঠানে মেধাবী সন্তানদের সম্মাননা দেওয়া হয়। ছিল সাংস্কৃতিক অনুষ্ঠান, নকশা প্রদর্শনী।
উদ্বোধনী অনুষ্ঠানে প্রধান অতিথি ছিলেন মোহাম্মদ আলীর বলা গল্পের নায়ক, অনেকের প্রিয় শিক্ষক সাবেক উপাচার্য অধ্যাপক এম এইচ খান। এম এইচ খান বলেন, প্রতিষ্ঠানের উন্নয়নের জন্য একটি আর্কাইভ থাকা দরকার।
ঐতিহ্যবাহী নাশতার মধ্য দিয়ে শুরু হওয়া এ উৎসবের আনুষ্ঠানিক উদ্বোধন করেন উপাচার্য অধ্যাপক খালেদা একরাম। তিনি বলেন, অগ্রগতির ধারায় রয়েছে বুয়েট। তিনি এ ধারাকে অব্যাহত রাখতে সবার সহযোগিতা চান।
অ্যাসোসিয়েশন অব বুয়েট অ্যালামনাইয়ের সভাপতি অধ্যাপক জামিলুর রেজা চৌধুরীর সভাপতিত্বে অনুষ্ঠানে ছাত্রকল্যাণ পরিষদের পরিচালক সাদেকুল ইসলাম ভূঁইয়া, এই পুনর্মিলনীর সাংগঠনিক কমিটির আহ্বায়ক মুনিরুদ্দিন আহমেদ প্রমুখ বক্তব্য দেন। অনুষ্ঠানে অংশ নেন বুয়েটের সাবেক শিক্ষার্থী তথ্যমন্ত্রী হাসানুল হক ইনু।

বিজ্ঞাপন
বাংলাদেশ থেকে আরও পড়ুন
মন্তব্য করুন