বিজ্ঞাপন
বিজ্ঞাপন

প্রদর্শনীতে ২৭ জন শিল্পীর শিল্পকর্ম রয়েছে। ঢালী আল মামুন জানান, চট্টগ্রাম বিশ্ববিদ্যালয়ের যেসব শিল্পী পরে বিভিন্ন শিক্ষাপ্রতিষ্ঠানে শিক্ষকতা করছেন, তাঁদের এই প্রদর্শনীতে অন্তর্ভুক্ত করা হয়নি। যেসব শিল্পী অন্য পেশায় রয়েছেন, অনেক অসুবিধার ভেতরে থেকেও শিল্পচর্চা অব্যাহত রেখে তাঁরা নিজেদের অবস্থান তৈরি করতে পেরেছেন, সুবিধাবঞ্চিত সেই শিল্পীদেরই প্রদর্শনীর জন্য বাছাই করা হয়েছে। এই শিল্পীদের মধ্যে অনেকেই জাতীয় পর্যায়ের এবং দেশের বাইরেও অনেক প্রতিষ্ঠান ও প্রতিযোগিতায় পুরস্কৃত হয়েছেন। চট্টগ্রাম বিশ্ববিদ্যালয়ের শিল্পীদের কাজের একটি স্বতন্ত্র বৈশিষ্ট্য রয়েছে। এই প্রদর্শনীর শিল্পীদের কাজের ভেতর দিয়ে সেই বৈশিষ্ট্যের পরিচয় পাওয়া যাবে।

অংশগ্রহণকারী শিল্পীরা হলেন অলক কুমার সরকার, আফসানা শারমিন, আবু নাসের, আশরাফুল হাসান, ইয়াসমিন জাহান, এমরান হোসেন, এস এম রিয়াদ, গোঁসাই পাহলভী, জয়দেব রোয়াজা, জয়তু চাকমা, জেসমিন আক্তার, তানভীর পারভেজ, তাসাদ্দুক হোসেন দুলু, দিলারা বেগম জলি, নিয়াজউদ্দীন আহম্মেদ, পলাশ ভট্টাচার্য, ফারাহ নাজ, ফাহাদ হাসান কাজমী, মনির মৃত্তিক, মুজাহিদ মুসা, মেহেরুন আক্তার, রাজীব দত্ত, রিপন সাহা, শতাব্দী সোম, সজীব সেন, সঞ্জয় বিকাশ দাশ ও সঞ্জীব দত্ত। প্রদর্শনী প্রতিদিন বিকেল ৪টা থেকে রাত ৮টা পর্যন্ত ২৩ অক্টোবর পর্যন্ত খোলা থাকবে।

সিঁড়ি বেয়ে চারতলায় গ্যালারিতে ঢোকার সময় চোখে পড়বে কনডেন্সড মিল্কের খালি কৌটা দিয়ে স্তম্ভ আকারের অলোক কুমার সরকারের ভাস্কর্য। মানবাকৃতির গাছ এঁকেছেন আশরাফুল হাসান। রঙিন কাপড়ের টুকরার কোলাজ করেছেন জেসমিন আক্তার। করোনা নিয়ে মিশ্র মাধ্যমের কাজ আছে সজীব সেনের। প্রতিদিনের নানা ঘটনার অভিব্যক্তি কালি–কলমের রেখায় ফুটিয়ে তুলেছেন ফারহা নাজ, মিশ্র মাধ্যমের একটি স্থাপনা আছে গোঁসাই পাহলভীর।

বাংলাদেশ থেকে আরও পড়ুন
মন্তব্য করুন
বিজ্ঞাপন
বিজ্ঞাপন