বিজ্ঞাপন
বিজ্ঞাপন

তবে এসব প্রতিবন্ধকতার পরেও আইএমএফ মনে করছে উন্নত দেশগুলো ২০২২ সালে প্রত্যাশার চেয়েও বেশি ভালো করবে। অপরদিকে টিকা সংকটের কারণে উন্নয়নশীল দেশগুলোর অর্থনৈতিক প্রবৃদ্ধি কমে যেতে পারে বলে সতর্ক করেছে আইএমএফ। ২০২০ সালে বৈশ্বিক অর্থনীতি বেশ সঙ্কুচিত হলেও চলতি বছরের প্রথমার্ধে অবরোধ তুলে নেওয়ার পরে খুব ভালোভাবে পুনরুজ্জীবিত হচ্ছে।

আইএমএফের সর্বশেষ ওয়ার্ল্ড ইকোনমিক আউটলুকে বলা হয়েছে, করোনাভাইরাসের অতি সংক্রমণশীল ডেলটা ধরনের কারণে বিকল্প স্বাভাবিক পরিস্থিতিতে সম্পূর্ণ প্রত্যাবর্তনকে বাধাগ্রস্ত করায় অর্থনীতির গতিবেগ দুর্বল হয়ে গেছে।

আইএমএফের প্রধান অর্থনীতিবিদ গীতা গোপীনাথ অনেক দেশেই সরবরাহ ব্যবস্থায় বিঘ্ন ঘটার দিকে ইঙ্গিত করেছে, এর ফলে বাড়তি চাহিদার কারণে খাদ্যস্ফীতি দেখা দিতে পারে। খাদ্যস্ফীতির জন্য পণ্যঘাটতি এবং নিত্য প্রয়োজনীয় দ্রব্যের উচ্চমূল্যকে দায়ী করে তিনি বলেন, এর ফলে অর্থনৈতিক সমৃদ্ধির ঝুঁকি বাড়তে পারে।
আইএমএফ ধারণা করছে, চলতি বছর বিশ্বের সর্ববৃহৎ অর্থনীতির দেশ যুক্তরাষ্ট্রের প্রবৃদ্ধি হবে ৬ শতাংশ, যা গত জুলাই করা পূর্বাভাসের চেয়ে ৭ শতাংশ কম।

অপরদিকে বিশ্বের তৃতীয় ও চতুর্থ অর্থনীতির দেশ জাপান এবং জার্মানিতে প্রবৃদ্ধি হতে পারে যথাক্রমে ২ দশমিক ৪ শতাংশ এবং ৩ দশমিক ১ শতাংশ। যা পূর্বাভাসের তুলনায় জাপানের ক্ষেত্রে ২ দশমিক ৮ শতাংশ কম এবং জার্মানির ক্ষেত্রে ৩ দশমিক ৬ শতাংশ কম। অপরদিকে চলতি বছর যুক্তরাজ্যে প্রবৃদ্ধির পূর্বাভাস দেওয়া হয়েছে ৬ দশমিক ৮ শতাংশ যা পূর্ববর্তী পূর্বাভাসের ৭ শতাংশেরও কম।

বাংলাদেশ থেকে আরও পড়ুন
মন্তব্য করুন
বিজ্ঞাপন
বিজ্ঞাপন