বিজ্ঞাপন
বিজ্ঞাপন

শেখ হাসিনা জাতীয় বার্ন অ্যান্ড প্লাস্টিক সার্জারি ইনস্টিটিউটের আবাসিক চিকিৎসক এস এম আইউব হোসেন প্রথম আলোকে বলেন, আজ সন্ধ্যা ৬টা ৫০ মিনিটে তামিম মারা যায়। অগ্নিকাণ্ডে তার শরীরের ৩০ শতাংশ পুড়ে গিয়েছিল।

গত ২৩ ডিসেম্বর দিবাগত রাতে ঝালকাঠি সদর উপজেলার সুগন্ধা নদীতে ঢাকা থেকে বরগুনাগামী এমভি অভিযান-১০ লঞ্চে আগুন লাগে। এ সময় লঞ্চটিতে প্রায় ৮০০ যাত্রী ছিলেন। এ ঘটনায় আগুনে পুড়ে ও নদীতে ঝাঁপ দিয়ে তামিমসহ ৪৬ জনের মৃত্যু হলো। বরগুনা জেলা প্রশাসনের তথ্যমতে, এ ঘটনায় এখনো অন্তত ৩৩ জন নিখোঁজ রয়েছেন।

এ ঘটনায় দগ্ধ ২১ জনকে শেখ হাসিনা জাতীয় বার্ন অ্যান্ড প্লাস্টিক সার্জারি ইনস্টিটিউটে ভর্তি করা হয়। তাঁদের মধ্যে পাঁচজন হাসপাতাল থেকে চিকিৎসা নিয়ে বাসায় ফিরেছেন। তিনজনের মৃত্যু হয়েছে। এখন চিকিৎসাধীন ১৩ জন।

তামিমের মামা মোহাম্মদ মামুন মিয়া প্রথম আলোকে বলেন, দুর্ঘটনার ১২ দিন আগে তাঁর বোন জেসমিন দুই সন্তানকে নিয়ে বরগুনা থেকে ঢাকার কেরানীগঞ্জে আসেন। ঘটনার দিন বিকেলে বোন লঞ্চে করে বরগুনা ফিরছিলেন। গভীর রাতে লঞ্চে অগ্নিকাণ্ডে দুই সন্তানসহ তিনি দগ্ধ হন। জেসমিনের স্বামী খলিলুর রহমান বরগুনা সদরে কাপড়ের ব্যবসা করেন।

বাংলাদেশ থেকে আরও পড়ুন
মন্তব্য করুন
বিজ্ঞাপন
বিজ্ঞাপন