ব্রাহ্মণবাড়িয়া মুক্ত দিবসে দেয়ালে আঁকা ছবির উদ্বোধন

বিজ্ঞাপন
default-image

১৯৭১ সালের ৮ ডিসেম্বর। দিনটিতেই হানাদারমুক্ত হয় ব্রাহ্মণবাড়িয়া। তাই দিবসটিকে মুক্ত দিবস হিসেবে উদ্যাপন করে জেলাটির বাসিন্দারা। দিবসটিকে কেন্দ্র করে গতকাল মঙ্গলবার সকাল আটটার দিকে শহরের অন্নদা সরকারি উচ্চবিদ্যালয়ের দেয়ালে আঁকা ৬০টি ছবির উদ্বোধন করেন ব্রাহ্মণবাড়িয়ার বিশিষ্ট আট ব্যক্তি।
সামাজিক যোগাযোগের ওয়েবসাইট ফেসবুকভিত্তিক সংগঠন ‘আমরাই ব্রাহ্মণবাড়িয়া’—এ অনুষ্ঠানের আয়োজন করে। অনুষ্ঠানে প্রধান অতিথি ছিলেন ব্রাহ্মণবাড়িয়া জেলা প্রশাসক মুহাম্মদ মোশাররফ। বিশেষ অতিথি হিসেবে উপস্থিত ছিলেন ব্রাহ্মণবাড়িয়ার পুলিশ সুপার (এসপি) মিজানুর রহমান।
বক্তারা ‘আমরাই ব্রাহ্মণবাড়িয়া’ সংগঠনের ব্যতিক্রমধর্মী এই অনুষ্ঠানের প্রশংসা করেন। তাঁরা বলেন, শিক্ষা, সংস্কৃতি, মুক্তিযুদ্ধসহ নানা বিষয়ে ব্রাহ্মণবাড়িয়ার ঐতিহ্য রয়েছে। ব্রাহ্মণবাড়িয়াকে আরও সমৃদ্ধ করতে উন্নয়নমূলক সব কাজে সংগঠনটির পাশে থাকার প্রতিশ্রুতি দেন তাঁরা। সংগঠনটির পক্ষ থেকে জেলা প্রশাসক, পুলিশ সুপারসহ ব্রাহ্মণবাড়িয়ার বিশিষ্ট আট ব্যক্তিকে সম্মাননা স্মারক ও ক্রেস্ট দেওয়া হয়। একই সঙ্গে ব্রাহ্মণবাড়িয়া শিশু নাট্যমের পরিচালক নিয়াজ মুহাম্মদ খানসহ শিশু শিল্পীদের উপহার হিসেবে সম্মাননা স্মারক দেওয়া হয়। ‘আমরাই ব্রাহ্মণবাড়িয়া’ সংগঠনের পক্ষ থেকে বক্তব্য দেন রেজাউর রহমান ও কাজল।
ব্রাহ্মণবাড়িয়ার আট বিশিষ্ট ব্যক্তি হচ্ছেন বাংলাদেশ অনূর্ধ্ব-১৯ ক্রিকেট দলের খেলোয়াড় প্রসেনজিৎ দাস, ব্রাহ্মণবাড়িয়া সদর উপজেলা পরিষদের মহিলা ভাইস চেয়ারম্যান নিশাত সুলতানা, অন্নদা সরকারি উচ্চবিদ্যালয়ের প্রধান শিক্ষক ফরিদা নাজনীন, ব্রাহ্মণবাড়িয়া জেলা আন্দোলনের শহীদ পলুর বড় ভাই শফিকুর রউফ, বেসরকারি ব্রাহ্মণবাড়িয়া মেডিকেল কলেজের প্রতিষ্ঠাতা চেয়ারম্যান চিকিৎসক আবু সাঈদ, ব্রাহ্মণবাড়িয়া সাহিত্য একাডেমির সভাপতি জয়দুল হোসেন, ব্রাহ্মণবাড়িয়া জেলা আওয়ামী লীগের সাধারণ সম্পাদক মুক্তিযোদ্ধা আল মামুন সরকার ও চ্যানেল আইয়ের ব্রাহ্মণবাড়িয়া জেলা প্রতিনিধি মনজুরুল আলম। আরও উপস্থিত ছিলেন সহকারী পুলিশ সুপার (সদর দপ্তর) শফিকুল ইসলাম প্রমূখ।

বিজ্ঞাপন
মন্তব্য পড়ুন 0
বিজ্ঞাপন