বিজ্ঞাপন
বিজ্ঞাপন

স্থানীয় ছাত্রলীগ সূত্রে জানা যায়, ৩১ অক্টোবর কেন্দ্রীয় ছাত্রলীগের সভাপতি আল নাহিয়ান খান ও সাধারণ সম্পাদক লেখক ভট্টাচার্যের স্বাক্ষরিত ব্রাহ্মণবাড়িয়া জেলা ছাত্রলীগের ৩৪৯ সদস্যের কমিটি ঘোষণা করা হয়। জেলা ছাত্রলীগের সভাপতি ও সাধারণ সম্পাদক বাদে সহসভাপতি পদে ৯০ জন, যুগ্ম সাধারণ সম্পাদক পদে ১১, সাংগঠনিক সম্পাদক পদে ১১, উপসম্পাদক পদে ১৩৬, সহসম্পাদক ৫৯, সদস্যপদে ৪০ জনের নাম স্থান পেয়েছে। কমিটিতে জেলা সদর ছাড়াও বিভিন্ন উপজেলার বেশ কয়েকজন নেতার নাম আছে। ২০১৮ সালের ২ ফেব্রুয়ারি ব্রাহ্মণবাড়িয়া জেলা ছাত্রলীগের সাত সদস্যের আংশিক কমিটি ঘোষণা করা হয়। এবার ৩৪৯ সদস্যের পূর্ণাঙ্গ কমিটি ঘোষণা করা হলো। কমিটি নিয়ে দেখা দিয়েছে বিতর্ক। এ নিয়ে ফেসবুকেও চলছে সমালোচনা।

এদিকে মঙ্গলবার বিকেল সাড়ে পাঁচটার দিকে শহরের ভাদুঘর থেকে ছাত্রলীগের পদবঞ্চিত নেতা-কর্মীরা অর্ধশতাধিক মোটরসাইকেল নিয়ে বিক্ষোভ মিছিল বের করেন। মিছিলটি কাউতলী, কলেজপাড়া, কালীবাড়ি মোড়, টিএ রোড ও হাসপাতাল মোড় প্রদক্ষিণ শেষে ব্রাহ্মণবাড়িয়া প্রেসক্লাবের সামনে গিয়ে শেষ হয়। সেখানে পদবঞ্চিত নেতা-কর্মীরা সমাবেশ করেন। সমাবেশে অন্যদের মধ্যে ছাত্রলীগের সাবেক সমাজসেবা সম্পাদক আমিনুল ইসলাম ও ব্রাহ্মণবাড়িয়া সরকারি কলেজ শাখা ছাত্রলীগের সাবেক সাধারণ সম্পাদক লাভলু চৌধুরী বক্তৃতা করেন।

পদবঞ্চিত ছাত্রলীগের নেতা-কর্মীরা বলেন, ওয়ান পাস, টু পাস কিংবা যাঁরা এসএসসি পাস করেননি, যাঁদের বয়স ৩০ বছরের বেশি, বিবাহিত, অছাত্র, মাদক ব্যবসায়ী, বিভিন্ন মামলা-হামলার সঙ্গে জড়িত ও বিএনপি-ছাত্রদলের বিভিন্ন কমিটিতে ছিলেন—এমন নেতা-কর্মীদের জেলা ছাত্রলীগের কমিটিতে রাখা হয়েছে। বিভিন্ন দায়িত্বপ্রাপ্ত সাংগঠনিক নেতা, ব্রাহ্মণবাড়িয়া জেলা ছাত্রলীগের কিছু বর্তমান ও সাবেক নেতাদের সমর্থনে ও ইন্ধনে এমনটা হয়েছে।

জেলা ছাত্রলীগের সভাপতি রবিউল হোসেন প্রথম আলোকে বলেন, ‘আমরা কেন্দ্রীয় ছাত্রলীগের কাছে এত বড় কমিটি জমা দেয়নি। তবে কমিটিতে পদ পাওয়া যে কোনো ছাত্রলীগের সদস্যের বিরুদ্ধে কোনো অভিযোগের বিষয়ে কেউ যদি সুনির্দিষ্ট প্রমাণ দেখাতে পারেন, তাহলে তাঁর বিরুদ্ধে প্রয়োজনীয় ব্যবস্থা নেওয়া হবে।’

বাংলাদেশ থেকে আরও পড়ুন
মন্তব্য করুন
বিজ্ঞাপন
বিজ্ঞাপন