default-image

ব্রুনেইয়ে বাংলাদেশ হাইকমিশনের কর্মকর্তাদের বিরুদ্ধে প্রবাসী বাংলাদেশিদের হয়রানি, নির্যাতন ও ঘুষ গ্রহণের অভিযোগ তদন্ত করতে মন্ত্রণালয়ে চিঠি দিয়েছে দুর্নীতি দমন কমিশন (দুদক)। সংস্থাটির মহাপরিচালক (বিশেষ তদন্ত) সাঈদ মাহবুব খান স্বাক্ষরিত ওই চিঠি প্রবাসী কল্যাণ ও বৈদেশিক কর্মসংস্থান মন্ত্রণালয়ের সচিব বরাবর পাঠানো হয়েছে।

আজ রোববার দুদকের উচ্চ পর্যায়ের একটি সূত্র প্রথম আলোকে বিষয়টি নিশ্চিত করেছে। চিঠির সূত্রে জানা গেছে, বিষয়টির তদন্ত প্রতিবেদন চাওয়ার জন্য কমিশনে সিদ্ধান্ত নেওয়া হয়েছে। সেই পরিপ্রেক্ষিতে বিষয়টির তদন্ত করে ৩০ কার্যদিবসের মধ্যে কমিশনে প্রতিবেদন পাঠানোর জন্য বলেছে দুদক।

দুদক সূত্র জানিয়েছে, ব্রুনেইয়ে বাংলাদেশ হাইকমিশনের প্রথম সচিব (লেবার কাউন্সিলর) জিলাল হোসেন ও লেবার উইংয়ের কর্মকর্তা (দোভাষী) আবু নাঈমের বিরুদ্ধে দুর্নীতি ও শ্রমিক নির্যাতনের অভিযোগ উঠেছে। এতে বলা হয়, এই দুজনের সিন্ডিকেট প্রবাসী শ্রমিক বা ব্যবসায়ীদের স্বার্থ সুরক্ষা না করে উল্টো শোষণ করছেন। নিজেদের দুর্নীতি ও ব্যর্থতা ঢাকতে প্রবাসীদের হয়রানি করছেন। প্রবাসী মজুরি সংক্রান্ত জটিলতা কিংবা হয়রানির বিষয়ে হাইকমিশনে অভিযোগ করলে সমাধান পাওয়া যায় না- এমন অভিযোগও তোলা হয়েছে। এর প্রতিবাদ মানবপাচার বা চুরির মিথ্যে মামলার আসামি হয়ে দেশে ফিরতে হয়েছে অনেক শ্রমিককে।

দুদক সূত্র বলছে, তাদের কাছে তথ্য আছে— গত অক্টোবর থেকে ডিসেম্বর পর্যন্ত অর্ধশতাধিক প্রবাসী শ্রমিক ও ব্যবসায়ী দেশে ফিরেছেন মামলায় আসামি হয়ে। অনেকের পাসপোর্ট বাতিল করা হয়েছে মানবপাচারসহ নানা অভিযোগে। ভুক্তভোগীরা সংশ্লিষ্ট মন্ত্রণালয়গুলোতে অভিযোগ করে প্রতিকার না পেয়ে দুদকের শরণাপন্ন হয়েছেন বলে অভিযোগে বলা হয়েছে।

বিজ্ঞাপন
মন্তব্য পড়ুন 0