বিজ্ঞাপন
বিজ্ঞাপন

সংবাদ সম্মেলনে লিখিত বক্তব্যে দলীয় মনোনয়নপ্রত্যাশী এস এম মাসুদ রানা বলেন, প্রধানমন্ত্রী শেখ হাসিনা বলেছেন, যাঁরা দলের দুর্দিনে পাশে ছিলেন, তাঁদের মনোনয়ন দিয়ে পুরস্কৃত করবেন। কিন্তু যাঁকে মনোনয়ন দেওয়া হয়েছে, তিনি একজন নব্য আওয়ামী লীগার। তিনি দলের দুর্দিনে ছিলেন না। ছাত্রলীগ, যুবলীগ, আন্দোলন–সংগ্রামে তাঁর সম্পৃক্ততা নেই। তিনি চেয়ারম্যান হয়ে আওয়ামী লীগার হওয়ার চেষ্টা করছেন। তিনি আরও বলেন, ‘কেন্দ্র থেকে তালিকা পাঠাতে বলা হয়েছিল। আমি উপজেলা আওয়ামী লীগকে সেই তালিকার বিষয়ে বারবার জানতে চেয়েছি, কিন্তু আমাকে না জানিয়ে সেই তালিকা পাঠানো হয়েছে। এই নব্য আওয়ামী লীগারের মনোনয়ন পরিবর্তন করে ত্যাগী নেতা-কর্মীকে নৌকা প্রতীকের মনোনয়ন দেওয়ার দাবি জানাচ্ছি।’

উপজেলা আওয়ামী লীগের সভাপতি (ভারপ্রাপ্ত) আবদুল কুদ্দুস মিয়াজী বলেন, যেহেতু গতবার ইউনিয়ন পরিষদ নির্বাচনে নৌকা প্রতীক নিয়ে মমিন আলী বিজয়ী হয়েছিলেন, সেহেতু তাঁর নাম ১ নম্বরে পাঠানো হয়েছে। ২ নম্বরে পাঠানো হয়েছে এস এম মাসুদ রানার নাম। গতবার মমিন যখন নৌকা প্রতীকে নির্বাচন করেছিলেন, তখন এস এম মাসুদ রানাকে ইউনিয়ন কমিটির সাধারণ সম্পাদকের দায়িত্ব দেওয়া হয়েছিল। তখন তাঁকে (মমিনকে) নব্য আওয়ামী লীগার বলা হয়নি। এখন নির্বাচনের সময় নৌকা প্রতীকের মনোনয়ন না পেয়ে তাঁকে নব্য আওয়ামী লীগার বলছেন তাঁরা।

আবদুল মমিন আলী বলেন, ‘আমি ২০১১ ও ২০১৬ সালে আওয়ামী লীগের সমর্থন নিয়ে চেয়ারম্যান নির্বাচিত হয়েছি। দলের দুর্দিনে পাশে থেকেছি। সম্মেলনের মাধ্যমে আমাকে ইউনিয়ন কমিটির সাধারণ সম্পাদকের দায়িত্ব দেওয়া হয়েছে। তারা মনোনয়ন না পেয়ে আমার নামে মিথ্যাচার করছে। তারা বিদ্রোহী হলে তো দলের কোনো জায়গায় থাকতে পারবে না। তাই উল্টাপাল্টা অভিযোগ করছে।’
সংবাদ সম্মেলনে উপস্থিত ছিলেন ইউনিয়ন আওয়ামী লীগের সাংগঠনিক সম্পাদক সাবান মাহমুদ, দপ্তর সম্পাদক তরিকুল ইসলাম, জেলা স্বেচ্ছাসেবক লীগের সদস্য টি এম মাসুদ করিম, ইউনিয়ন ছাত্রলীগের সাবেক সভাপতি ইলিয়াস পারভেজ, উপজেলা ছাত্রলীগের সাংগঠনিক সম্পাদক মাসুম পারভেজ প্রমুখ।

বাংলাদেশ থেকে আরও পড়ুন
মন্তব্য করুন
বিজ্ঞাপন
বিজ্ঞাপন