বিজ্ঞাপন
বিজ্ঞাপন

চরমোনাইয়ের পীর অভিযোগ করে বলেন, ত্রিপুরা রাজ্যে বিশ্ব হিন্দু পরিষদের দুষ্কৃতকারীদের হামলার লক্ষ্যবস্তু বানানো হয়েছে মুসলিমদের বাড়িঘর ও দোকানপাট। পানিসাগরের রাওবাজার এলাকায় তাঁদের বাড়িঘর ও দোকানে ভাঙচুর চালানো হয়েছে। করা হয়েছে নারীর শ্লীলতাহানি।

মুহাম্মদ রেজাউল করিম আরও অভিযোগ করেন, ওই রাজ্যে উগ্রবাদীদের আক্রমণে ১৬টি মসজিদে কমপক্ষে ২৭টি হামলা চালানো হয়েছে। কয়েকটি মসজিদে জোর করে বিশ্ব হিন্দু পরিষদের পতাকা পুঁতে দেওয়া হয়েছে। উনাকটি জেলার পালবাজার মসজিদ, গোমতী জেলার ডোগরা মসজিদ ও বিশালগড় জেলার নারোলা টিলা মসজিদে আগুন লাগানো হয়েছে। এতকিছুর পরেও ভারতের পুলিশ বলছে, তেমন কিছুই হয়নি।

বিবৃতিতে ইসলামী আন্দোলনের আমির বলেন, বাংলাদেশে সংখ্যালঘু সম্প্রদায়ের মানুষেরা কোনো ধরনের আক্রমণের শিকার হলে বিশ্বজুড়ে তোলপাড় শুরু হয়। মুসলিমরা নির্যাতনের শিকার হলে বিশ্ব মিডিয়া, বিশ্ব নেতৃবৃন্দ কোনো প্রতিবাদ পর্যন্ত করেন না। তাহলে মুসলিমশূন্য করাই কি তাদের লক্ষ্য?

ভারতের বিভিন্ন রাজ্যে মুসলিমরা আজ আতঙ্কিত ও নিরুপায় অবস্থায় রয়েছেন মন্তব্য করে ইসলামী আন্দোলনের আমির মুসলিমদের ওপর হামলাকারী সন্ত্রাসীদের গ্রেপ্তার করে বিচারের মুখোমুখি করতে ভারত সরকারের কাছে দাবি জানান। একই সঙ্গে মুসলিমদের জানমাল ও মসজিদ রক্ষার আহ্বান জানান।

বিবৃতিতে চরমোনাইয়ের পীর ভারত সরকারকে হুঁশিয়ার করে দেন—অন্যথায় বিশ্বব্যাপী প্রতিবাদের দাবানল জ্বলে উঠবে।

বাংলাদেশ থেকে আরও পড়ুন
মন্তব্য করুন
বিজ্ঞাপন
বিজ্ঞাপন