বিজ্ঞাপন
বিজ্ঞাপন

ভারত ও বাংলাদেশের কূটনৈতিক সূত্রগুলো জানিয়েছে, এই প্রথম কোনো দেশের মিশন আয়োজিত সশস্ত্র বাহিনীর অনুষ্ঠানে অংশ নিলেন ভারতের প্রতিরক্ষামন্ত্রী। তিনি ছাড়াও ভারতের চিফ অফ ডিফেন্স স্টাফ জেনারেল বিপিন রাওয়াত, সেনাবাহিনী প্রধান জেনারেল মনোজ মুকুন্দ নারাভানে, নৌবাহিনী প্রধান অ্যাডমিরাল করম বীর সিং এবং বিমানবাহিনী প্রধান এয়ার চিফ মার্শাল বিবেক রাম চৌধুরী বাংলাদেশ হাইকমিশন আয়োজিত এ অনুষ্ঠানে যোগ দেন। এটিকে বিরল ঘটনা হিসেবেই দেখছেন দুই দেশের কূটনীতিকেরা।

default-image

অনুষ্ঠানে রাজনাথ সিং বলেন, এ বছর ভারত-বাংলাদেশ সম্পর্কের জন্য অত্যন্ত তাৎপর্যপূর্ণ। বাংলাদেশ তার স্বাধীনতার সুবর্ণজয়ন্তী এবং ভারত-বাংলাদেশ কূটনৈতিক সম্পর্কের ৫০ বছর উদ্‌যাপন করছে। একই সঙ্গে এ বছর বঙ্গবন্ধু শেখ মুজিবুর রহমানের জন্মশতবার্ষিকী। তিনি বলেন, ‘ইতিহাসের এই মাহেন্দ্রক্ষণে একাত্তরের মুক্তিযুদ্ধের সাহসী সৈনিকদের প্রতি সম্মান জানাই।’

মুক্তিযুদ্ধের চেতনা বাংলাদেশের সশস্ত্র বাহিনীর মূল ভিত্তি উল্লেখ করে ভারতের প্রতিরক্ষামন্ত্রী বাংলাদেশের মুক্তিযুদ্ধে আত্মোৎসর্গকারী ভারতীয় সশস্ত্র বাহিনীর বীর যোদ্ধাদের প্রতি শ্রদ্ধা জানান। তিনি বলেন, বাংলাদেশের গর্বিত ও পেশাদার সশস্ত্র বাহিনী একাত্তরের মুক্তিযুদ্ধের যে চেতনার ভিত্তিতে গড়ে উঠেছে, এখনো তারা তা ধারণ করে। একাত্তরের মুক্তিযুদ্ধে ত্যাগ আর ধৈর্যের পরীক্ষার মধ্য দিয়ে গড়ে উঠেছে বাংলাদেশ সশস্ত্র বাহিনী। বাংলাদেশের সশস্ত্র বাহিনীর বিশ্বজুড়ে তাদের পেশাদারত্ব ও ন্যায়ের প্রতি অঙ্গীকারের জন্য সম্মানিত হওয়াটা কোনো কাকতালীয় বিষয় নয়।

default-image

দুই দেশের প্রতিরক্ষা বাহিনীর সহযোগিতার প্রসঙ্গ টেনে রাজনাথ সিং বলেন, বাংলাদেশের তিন বাহিনীর প্রধান এ বছর ভারত সফর করেছেন। আর ভারতের সেনাবাহিনী ও বিমানবাহিনী প্রধান এ বছর বাংলাদেশ সফরে গেছেন। প্রতিরক্ষা সরঞ্জাম কেনাকাটার জন্য বাংলাদেশকে ঋণ চুক্তির আওতায় ৫০ কোটি ডলার দিয়েছে ভারত।

অনুষ্ঠানে স্বাগত বক্তব্য দেন ভারতে নিযুক্ত বাংলাদেশের হাইকমিশনার মুহম্মদ ইমরান। আরও উপস্থিত ছিলেন ঢাকায় ভারতের রাষ্ট্রদূতের দায়িত্ব পালন করে যাওয়া রীভা গাঙ্গুলি। তিনি এখন ভারতের পররাষ্ট্র মন্ত্রণালয়ের সচিব (পূর্ব)।

বাংলাদেশ থেকে আরও পড়ুন
মন্তব্য করুন
বিজ্ঞাপন
বিজ্ঞাপন