বিজ্ঞাপন
বিজ্ঞাপন

সংবাদ বিজ্ঞপ্তিতে আরও বলা হয়, আহমদ রফিক জীবনভর দেশ ও মানুষের কল্যাণে কাজ করেছেন। রবীন্দ্রচর্চা কেন্দ্র ট্রাস্টের প্রতিষ্ঠাতা সভাপতি ছিলেন তিনি। তাঁর অবদানের স্বীকৃতি হিসেবে বাংলা একাডেমি পুরস্কার, একুশ পদক পেয়েছেন। এ ছাড়া কলকাতার টেগোর রিসার্চ ইনস্টিটিউট তাঁকে ‘রবীন্দ্রতত্ত্বাচার্য’ উপাধিতে ভূষিত করেছে। রবীন্দ্র-গবেষণা বৃত্তির জন্য টাকা দান করেছেন ঢাকা বিশ্ববিদ্যালয় ও জাহাঙ্গীরনগর বিশ্ববিদ্যালয়ে। অবৈষয়িক মানুষটি আজ হয়ে পড়েছেন সহায়-সম্বলহীন।

খুব সম্প্রতি তাঁর ৯৩তম জন্মদিন উপলক্ষে এক সাক্ষাৎকারে তিনি স্বেচ্ছায় মৃত্যুর আইন চেয়েছেন উল্লেখ করে ১৮ কবি ও লেখক বলেন, ‘আমরা তাঁর এই দাবির সঙ্গে তাঁর বর্তমান অবস্থার সম্পৃক্ততা অনুভব করে বিচলিত বোধ করছি। তিনি অত্যন্ত আত্মমর্যাদাসম্পন্ন মানুষ, কোনো অবস্থাতেই ব্যক্তিমানুষের দান-খয়রাত গ্রহণ করতে একেবারেই প্রস্তুত নন। এমতাবস্থায় রাষ্ট্রীয় জীবনে গুরুত্বপূর্ণ ভূমিকা রাখার জন্য মানুষটিকে রাষ্ট্রীয় পৃষ্ঠপোষকতা প্রদান করা একান্ত প্রয়োজন।’ বঙ্গবন্ধুকন্যা প্রধানমন্ত্রী শেখ হাসিনা আহমদ রফিককে এককালীন ৩০ লাখ টাকা অনুদান প্রদান করে তাঁর বাকি জীবনটাকে শান্তি ও মর্যাদাপূর্ণ করে তুলবেন, এমনটাই আশা এই কবি ও লেখকদের।

১৮ লেখক ও কবির মধ্যে রয়েছেন শোয়াইব জিবরান, ওবায়েদ আকাশ, আহমাদ মোস্তফা কামাল, রাজীব নূর, শাহনাজ মুন্নী, লোপা মমতাজ, জোবাইদা নাসরিন, কবির হুমায়ুন, আলফ্রেড খোকন, শামীম রেজা, রেজা ঘটক, আফরোজা সোমা, পিয়াস মজিদ, মোজাফফর হোসেন, সাইমন জাকারিয়া, স্বকৃত নোমান, শাহেদ কায়েস ও সরকার আমিন।

বাংলাদেশ থেকে আরও পড়ুন
মন্তব্য করুন
বিজ্ঞাপন
বিজ্ঞাপন