বগুড়ার শিবগঞ্জ উপজেলার ভাসুবিহারে হাজার বছরের পুরোনো পোড়ামাটির ফলক, ইটের তৈরি অবকাঠামো ও নকশা করা ইটের সন্ধান পাওয়া গেছে।
ভাসুবিহারে প্রথম প্রত্নতাত্ত্বিক খননকাজ শুরু হয় ১৯৭৩ সালে। বর্তমানে সেখানে পঞ্চম দফার খননকাজ চলছে। ২৩ জানুয়ারি তিন মাসব্যাপী এ খননকাজ শুরু হয়।
প্রত্নতত্ত্ব অধিদপ্তর সূত্র জানায়, এবারের খননকাজের নেতৃত্ব দিচ্ছেন প্রত্নতত্ত্ব অধিদপ্তরের আঞ্চলিক পরিচালক নাহিদ সুলতানা। খননকাজ তত্ত্বাবধান করছেন মহাস্থান জাদুঘরের তত্ত্বাবধায়ক মজিবর রহমান। আর তাঁদের সহযোগী হিসেবে কাজ করছেন মহাস্থান জাদুঘরের সহকারী তত্ত্বাবধায়ক হাসানাত বিন ইসলাম, সিনিয়র ড্রাফটম্যান আফজাল হোসেন, ফটোগ্রাফার আবুল কালাম আজাদ ও সার্ভেয়ার লোকমান হোসেন। খনন ও পরিচ্ছন্নতার কাজে নিয়োজিত আছেন ৩৫ জন শ্রমিক।
খননকাজের তত্ত্বাবধায়ক মজিবর রহমান বলেন, ‘ভাসুবিহারের প্রতি ইঞ্চি মাটির নিচে লুকিয়ে আছে গুরুত্বপূর্ণ ইতিহাস। খননকাজ শুরু হয়েছে মাত্র। আশা করছি, খননকাজ এগোলে অনেক গুরুত্বপূর্ণ ইতিহাসের সন্ধান পাওয়া যাবে।’
খননকাজ নিয়ে এলাকার মানুষের মধ্যে প্রবল আগ্রহ দেখা দিয়েছে। প্রতিদিন অনেক মানুষ খননকাজ দেখতে আসছেন। চানপাড়া গ্রামের তাজমিলুর রহমান (৪০) বলেন, ‘ভাসুবিহারের মাটির নিচে লুকিয়ে আছে অনেক বিস্ময়, যা আমরা বইপত্রে বা লোকমুখে জেনেছি। যথাযথ বরাদ্দ দিয়ে খননকাজ করা গেলে অনেক গুরুত্বপূর্ণ ইতিহাস বের হয়ে আসত, যা বাংলাদেশ তো বটেই, সারা বিশ্বের পর্যটকদের আগ্রহের বিষয় হতে পারত।’

বিজ্ঞাপন
মন্তব্য করুন