বিজ্ঞাপন
বিজ্ঞাপন

চট্টগ্রাম জেলা প্রশাসনের নির্বাহী ম্যাজিস্ট্রেট ওমর ফারুক প্রথম আলোকে বলেন, চলমান চট্টগ্রাম জেলা প্রশাসনের নিয়মিত দুর্নীতি বিরোধী অভিযানে দুজনকে আটক করে পুলিশের হাতে তুলে দেওয়া হয়েছে। সুমন চৌধুরী নামে আরেকজনকে গ্রেপ্তারে অভিযান চলছে।

ওমর ফারুক আরও বলেন, শাহাদাতের পূর্ববর্তী কর্মস্থল নগরের আগ্রাবাদ সার্কেলের দক্ষিণ পাহাড়তলি ভূমি অফিসে কর্মকালীন সময়ে সহযোগী এমদাদসহ ভূমি উন্নয়ন করের চালান জালিয়াতির মাধ্যমে ২৫ লাখ ৫৭ হাজার টাকা আত্মসাৎ করেন। উক্ত ভূমি উন্নয়ন করের টাকা সরকারের কোষাগারে চালানের মাধ্যমে জমা দেওয়ার নিয়ম থাকলেও তাঁরা জমা না দিয়ে চালান জালিয়াতির মাধ্যমে টাকা আত্মসাৎ করেন।

অন্যদিকে সুমন চৌধুরী বর্তমানে কর্ণফুলী ভূমি অফিসের আওতাধীন শিকলবাহা ইউনিয়ন ভূমি অফিসে কর্মরত। একইভাবে সুমন চৌধুরী শিকলবাহা ইউনিয়ন ভূমি অফিসে কর্মরত অবস্থায় চালান জালিয়াতির মাধ্যমে ভূমি উন্নয়ন করের ৩০ লাখ ৩৭ হাজার টাকা আত্মসাৎ করেন। এর আগে রাংগুনিয়া ভূমি অফিসের আওতাধীন ঘাগড়া ইউনিয়ন ভূমি অফিসে কর্মরত থাকাকালীন সময়েও ভূমি উন্নয়ন করের প্রায় ৭১ লাখ ৬৩ হাজার টাকা আত্মসাৎ করেন।

চট্টগ্রাম জেলা প্রশাসক মমিনুর রহমান বলেন, ‘দুর্নীতির বিরুদ্ধে জিরো টলারেন্স নিয়ে কাজ করে যাচ্ছি। যেখানেই দুর্নীতি পাওয়া যাচ্ছে ও যারা দুর্নীতিতে জড়িত তাঁদের বিরুদ্ধে আইনানুগ ব্যবস্থা নেওয়া হচ্ছে। জেলা প্রশাসনের পক্ষ থেকে মামলা করা হচ্ছে।

বাংলাদেশ থেকে আরও পড়ুন
মন্তব্য করুন
বিজ্ঞাপন
বিজ্ঞাপন