default-image

বান্দরবানের থানচি উপজেলা শহরের বাজার আজ সোমবার ভোরে ভয়াবহ অগ্নিকাণ্ডে সম্পূর্ণ বিধ্বস্ত হয়ে গেছে। বিরানভূমিতে পরিণত হয়েছে বাজার এলাকা। বাজারের ব্যবসায়ীরা সর্বস্ব হারিয়ে এখন খোলা আকাশের নিচে হাহাকার করছেন।

বাজারের ব্যবসায়ীরা জানিয়েছেন, বাজারের উত্তর পাশে মসজিদের গলির একটি দোকান থেকে ভোরে আগুনের সূতপাত হয়। শহরের কয়েকটি পাকা-আধা পাকা দোকান ছাড়া সব কাঁচা দোকানপাট-বাসাবাড়ি হওয়ায় আগুন দ্রুত ছড়িয়ে পড়ে। প্রায় আড়াই ঘণ্টা ধরে আগুনের লেলিহান শিখায় জ্বলতে জ্বলতে সকাল ৭টার দিকে উপজেলা সদরের বাজারটির সবকিছু ভস্মীভূত হয়ে যায়।

বাজারের ব্যবসায়ী জসীম উদ্দিন বলেন, আগুনের তীব্রতা এত বেশি ছিল যে নেভানো সম্ভব ছিল না। তাঁরা কোনো রকমে জীবন বাঁচাতে পারলেও কোনো কিছু রক্ষা করতে পারেননি।

বাজারের চৌধুরী খামলাই ম্রো বলেন, বাজারে দেড় শতাধিক দোকানপাট, ব্যবসা প্রতিষ্ঠান ও কয়েকশ' বাসাবাড়ি রয়েছে। সেগুলোর একটিও আগুন থেকে রক্ষা পায়নি। বাজারে ছোটবড় দোকানগুলোতে কোটি কোটি টাকার মালামাল ধ্বংস হয়েছে। মানুষ এখন শঙ্খ নদের তীরে খোলা আকাশের নিচে আশ্রয় নিয়ে রয়েছে।

থানচি উপজেলা সদর ইউনিয়ন পরিষদের চেয়ারম্যান মাংসার ম্রো বলেন, থানচি উপজেলায় ফায়ার সার্ভিস স্টেশন নেই। বাজারের লোকজন, সেনাবাহিনী, বিজিবি ও পুলিশ নেভানোর চেষ্টা করলেও আগুনের তীব্রতা কমানো যায়নি। এ জন্য দোকান, বাসাবাড়ি ছেড়ে মানুষের অসহায় হয়ে আগুনে পোড়ার দৃশ্য দেখে থাকা ছাড়া কোনো উপায় ছিল না। বান্দরবান জেলা শহর থেকে অগ্নিনির্বাপণের গাড়ি পাঠানো হয়েছে জানানো হলেও সকাল ৮ টায়ও ঘটনাস্থলে পৌঁছেনি।

উপজেলা ভাইস চেয়ারম্যান চসাথোয়াই মারমা বলেন, থানচি উপজেলার প্রায় ৩০ হাজার মানুষ উপজেলা সদর বাজারের ওপর নির্ভরশীল। করোনাভাইরাসের দুর্যোগে এমনিতে মানুষ সমস্যা মধ্যে রয়েছেন। এবার বাজার পুড়ে যাওয়ায় হাতে টাকা থাকলেও খাবার সংগ্রহ করার আরও কঠিন হবে।

থানচির থানার ভারপ্রাপ্ত কর্মকর্তা (ওসি) সাইফুল উদ্দিন জানিয়েছেন, আগুনের সূত্রপাত মসজিদের গলি থেকে হয়েছে জানা গেলেও কিভাবে তা হলো তাৎক্ষণিকভাবে জানা যাচ্ছে না। তবে উপজেলা শহরটির বাজারের কোনো কিছু অবশিষ্ট

বিজ্ঞাপন
মন্তব্য করুন