বিজ্ঞাপন
বিজ্ঞাপন

বিশেষজ্ঞরা বলেন, মানুষের চোখের ওপর কালচে গোলাকার স্বচ্ছ ও প্রতিস্থাপনযোগ্য পর্দাকে কর্নিয়া বলা হয়। এই কর্নিয়া সংক্রমিত হলে বা ক্ষতিগ্রস্ত হলে দৃষ্টিশক্তি লোপ পেয়ে মানুষ অন্ধ হয়ে যায়। অন্য কারও কর্নিয়া নিয়ে তা প্রতিস্থাপন করার মাধ্যমে মানুষের দৃষ্টিশক্তি ফিরে পেতে পারে। বাংলাদেশে অন্ধ মানুষের সংখ্যা প্রায় ১৪ লাখ। এর মধ্যে কর্নিয়াজনিত সমস্যায় পাঁচ লাখের বেশি মানুষ দৃষ্টিহীন।

বাংলাদেশে চক্ষুদানের মাধ্যমে কর্নিয়া সংযোজনের কাজটি করে সন্ধানী জাতীয় চক্ষুদান সমিতি। এর বাইরে দু–একটি বেসরকারি হাসপাতাল বিদেশ থেকে কর্নিয়া এনে সংযোজন করে।

সন্ধানী ১৯৮৪ সাল থেকে এ পর্যন্ত ৪ হাজার ১০৪টি কর্নিয়া সংগ্রহ করেছে। এর মধ্যে ৩ হাজার ৪৫৯টি কর্নিয়া অন্যের চোখে বসানো হয়েছে। প্রত্যেকের কর্নিয়া নেওয়ার সময় রক্তও পরীক্ষা করা হয়। যদি অন্য কোনো অসুখ থাকে, তাহলে সেই কর্নিয়া নেওয়া হয় না। যাঁরা কর্নিয়া দিয়েছেন, তাঁদের মধ্যে সরাসরি দাতা ১২২ জন এবং হাসপাতালে মারা যাওয়ার পর স্বজনদের কাউন্সেলিং করে ১৭৯ জনের কাছ থেকে কর্নিয়া সংগ্রহ করা হয়। বাকি সব বেওয়ারিশ লাশের কর্নিয়া। মারা যাওয়ার ছয় ঘণ্টার মধ্যে এবং ময়নাতদন্তের আগে কর্নিয়া সংগ্রহ করতে হয়।

রক্তদান পরিস্থিতি: সন্ধানী রক্তদান নিয়েও কাজ করে। প্রতিষ্ঠানটি বলছে, দেশে বছরে পাঁচ লাখ ব্যাগ রক্তের চাহিদা রয়েছে। এর মধ্যে ৬৫ শতাংশ পূরণ হয় পেশাদার রক্তদাতার মাধ্যমে।

বাংলাদেশ থেকে আরও পড়ুন
মন্তব্য করুন
বিজ্ঞাপন
বিজ্ঞাপন