বিজ্ঞাপন
বিজ্ঞাপন

আহত ব্যক্তিদের চিকিৎসায় সব রকম ব্যবস্থা নেওয়া হয়েছে জানিয়ে প্রধানমন্ত্রী বলেন, ‘ঘটনার সঙ্গে সঙ্গে বার্ন ইনস্টিটিউটের সমন্বয়ক ডা. সামন্ত লাল সেন আমাকে মেসেজ পাঠিয়েছেন। প্রতিনিয়ত তিনি আমাকে মেসেজ পাঠাচ্ছেন। রোগীদের অবস্থা জানাচ্ছেন। অনেকজন এ পর্যন্ত মারা গেছেন। বাকি যাঁরা, তাঁদের অবস্থাও খারাপ। তারপরও চিকিৎসার সব রকম ব্যবস্থা নেওয়া হয়েছে।’

ওই দিনের ঘটনা সম্পর্কে প্রধানমন্ত্রী বলেন, ‘ওইটুকু একটা জায়গায় ছয়টা এসি। আবার শোনা যাচ্ছে গ্যাসের লাইনের ওপরেই নাকি এই মসজিদটা নির্মাণ করা হয়েছে।

সাধারণত, যেখানে গ্যাসের পাইপলাইন থাকে, সেখানে নির্মাণকাজ হয় না। জানি না এটা কতটা সত্য। জানি না রাজউক থেকে এটার পারমিশন দিয়েছে কি না। কারণ, এখানে পারমিশন তো দিতে পারে না, দেওয়া উচিত নয়। এতে সব সময় আশঙ্কার ব্যাপার থাকে। সেটাই এখন তদন্ত করে দেখা হবে।’

মসজিদ ব্যবস্থাপনা সম্পর্কে প্রধানমন্ত্রী বলেন, ‘আজকাল সবার পয়সাও আছে। এয়ারকন্ডিশনও দিয়েছে। সেখানে বিদ্যুৎ সরবরাহটা, কতটা লোড নিতে পারবে, সেই ক্যাপাসিটি ছিল কি না, সার্কিট ব্রেকার ছিল কি না, সব বিষয় কিন্তু দেখতে হবে। অপরিকল্পিতভাবে কিছু করতে গেলে একটা দুর্ঘটনা ঘটতে পারে।’

এ ঘটনার পর সারা দেশের মসজিদে সতর্কতামূলক ব্যবস্থা নেওয়ার নির্দেশনা দেওয়ার তথ্য জানিয়ে প্রধানমন্ত্রী বলেন, ‘আমি মন্ত্রিপরিষদ সচিবকে বলেছি। অন্য সবার কাছে আমার নির্দেশ গেছে। বিদ্যুৎ ও গ্যাস–সংশ্লিষ্টদের নির্দেশ দিয়েছি এর কারণটা খুঁজে বের করতে। এ ছাড়া সারা দেশের অন্যান্য মসজিদে যাঁরা অপরিকল্পিতভাবে ইচ্ছেমতো এয়ারকন্ডিশন লাগাচ্ছেন বা যেখানে–সেখানে একটি মসজিদ গড়ে তুলছেন, সেটা একটা স্থাপনা করার আদৌ জায়গা কি না, যথাযথ কর্তৃপক্ষের অনুমোদন নেওয়া হয়েছে কি না, নকশা করা হয়েছে কি না, সেই বিষয়গুলো দেখা একান্ত প্রয়োজন। না হলে এ ধরনের ঘটনা-দুর্ঘটনা যেকোনো সময়ে ঘটতে পারে।’

বাংলাদেশ থেকে আরও পড়ুন
মন্তব্য করুন
বিজ্ঞাপন
বিজ্ঞাপন