মাগুরা সদর উপজেলার ছোট খালিমপুর গ্রামে মঙ্গলবার রাতে পুলিশের সঙ্গে ‘বন্দুকযুদ্ধে’ দাউদ আলী ওরফে টাইগার দাউদ (৪৫) নিহত হয়েছেন। পুলিশ বলছে, ‘টাইগার বাহিনী’ নামে দাউদের নিজের সন্ত্রাসী বাহিনী রয়েছে। তিনি পুলিশের তালিকাভুক্ত শীর্ষ সন্ত্রাসীদের অন্যতম।
মাগুরার সহকারী পুলিশ সুপার (এএসপি) সুদর্শন রায়ের ভাষ্যমতে, সদর উপজেলার হাজরাপুর ইউনিয়নের বরইচারা গ্রাম থেকে মঙ্গলবার দিবাগত রাত ১১টার দিকে দাউদকে গ্রেপ্তার করে পুলিশ। দাউদের দেওয়া তথ্যের ভিত্তিতে সদর থানার ওসি জাহাঙ্গীর আলমের নেতৃত্বে থানা ও গোয়েন্দা পুলিশের একটি দল রাতেই তাঁকে নিয়ে অস্ত্র উদ্ধার অভিযান শুরু করে। পুলিশের দলটি রাত সোয়া একটার দিকে ছোট খালিমপুর এলাকায় পৌঁছাতেই দাউদের সহযোগীরা তাঁকে ছিনিয়ে নিতে পুলিশকে লক্ষ্য করে গুলি ছোড়ে। পুলিশও পাল্টা গুলি চালায়। পালাতে গিয়ে দাউদ গুলিবিদ্ধ হন। পুলিশ তঁাকে উদ্ধার করে মাগুরা সদর হাসপাতালে নিয়ে গেলে কর্তব্যরত চিকিৎসক মৃত ঘোষণা করেন। ঘটনাস্থল থেকে তিনটি আগ্নেয়াস্ত্র ও ২১টি গুলি উদ্ধার করা হয়।
সদর থানা সূত্র জানায়, লাশ মাগুরা সদর হাসপাতালের মর্গে ময়নাতদন্ত শেষে দাউদের ভাই আকমল হোসেন ও চাচা আবুল কালামের কাছে লাশ হস্তান্তর করা হয়। এ সময় আকমল ও আবুল কালামের সঙ্গে কথা বলার চেষ্টা করা হলে তাঁরা কোনো মন্তব্য করতে রাজি হননি। দাউদের বাড়ি সদর উপজেলার গৌরিচরণপুর গ্রামে।
এএসপি সুদর্শন রায়ের ভাষ্যমতে, টাইগার বাহিনী নামে দাউদের নিজস্ব একটি সন্ত্রাসী বাহিনী রয়েছে। তাঁর বিরুদ্ধে ছয়টি হত্যা ও দুটি অস্ত্র মামলা রয়েছে। এ ছাড়া ঝিনাইদহ, রাজবাড়ী ও মাগুরায় দাউদের বিরুদ্ধে সন্ত্রাস, চাঁদাবাজি, অপহরণ, ছিনতাইসহ নানা অভিযোগে একাধিক মামলা রয়েছে।

বিজ্ঞাপন
বাংলাদেশ থেকে আরও পড়ুন
মন্তব্য করুন