বিজ্ঞাপন
বিজ্ঞাপন

মাতারবাড়ী বিদ্যুৎকেন্দ্রের জন্য তেল খালাসের জেটিটি নির্মাণ হয়েছিল গত বছর। এখন কয়লা খালাসের জন্য আরেকটি জেটি নির্মাণ হচ্ছে। প্রায় ৩০০ মিটার লম্বা জেটির ১৭৫ মিটার কাজ শেষ হয়েছে। এই নির্মাণাধীন জেটিতে আজ ভেড়ানো হলো ১২০ মিটার লম্বা ‘এমভি হরিজন-৯’ নামের জাহাজটি।

বিদ্যুৎকেন্দ্রের দুটি জেটিতে এখন শুধু বিদ্যুৎকেন্দ্র নির্মাণের সরঞ্জাম আনা হচ্ছে। বিদ্যুৎকেন্দ্র নির্মাণ শেষ হলে কয়লা ও তেল খালাসের কাজে ব্যবহার হবে জেটি দুটি। ২০২৪ সালের জানুয়ারিতে বিদ্যুৎকেন্দ্রের প্রথম ইউনিট চালুর লক্ষ্য রয়েছে বলে জানিয়েছেন সংশ্লিষ্ট ব্যক্তিরা।

কোল পাওয়ার জেনারেশন কোম্পানি বাংলাদেশ লিমিটেডের প্রকল্প পরিচালক আবুল কালাম আজাদ প্রথম আলোকে বলেন, আগামীকাল শুক্রবার কয়লা বিদ্যুৎকেন্দ্রের সরঞ্জাম নিয়ে আরেকটি জাহাজ আসবে। সেটির যাতে অপেক্ষা করতে না হয়, সে জন্যই কয়লা খালাসের নির্মাণাধীন জেটিতে এই জাহাজটি ভেড়ানো হয়েছে। প্রায় ৩০০ মিটার জেটিটির নির্মাণকাজ এ বছর শেষ হবে। আর কয়লাবিদ্যুৎ প্রকল্পের ৫৪ শতাংশ কাজ শেষ হয়েছে।

বিদ্যুৎকেন্দ্রের জেটিতে বন্দর সুবিধা দিচ্ছে চট্টগ্রাম বন্দর কর্তৃপক্ষ। মাতারবাড়ীতে জাহাজ ভেড়ানোর মূল সমন্বয়কারী ও প্রকল্প ব্যবস্থাপক চট্টগ্রাম বন্দরের ক্যাপ্টেন মো. আতাউল হাকিম সিদ্দিকী জানান, সিঙ্গাপুর থেকে ছেড়ে আসা জাহাজটি ১৮৫ টন সরঞ্জাম নিয়ে এসেছে। জাহাজটির গভীরতা ৯ মিটার। বন্দরসেবা–সংক্রান্ত সব সুবিধা চট্টগ্রাম বন্দর থেকে দেওয়া হচ্ছে।

মাতারবাড়ীতে চট্টগ্রাম বন্দরের প্রথম গভীর সমুদ্রবন্দরের টার্মিনাল নির্মাণের প্রক্রিয়া শুরু হয় গত বছর সেপ্টেম্বর থেকে। গত ২৩ সেপ্টেম্বর প্রকল্পের পরামর্শক হিসেবে জাপানের নিপ্পন কোয়েকে নিয়োগ দেওয়ার পর এটির আনুষ্ঠানিক কাজ শুরু হয়। পরামর্শক প্রতিষ্ঠানটি টার্মিনালের খসড়া নকশা জমা দিয়েছে। ২০২৫ সালে মাতারবাড়ীতে টার্মিনাল নির্মাণের কাজ শেষ হবে। প্রথম দফায় সড়ক সংযোগসহ দুটি টার্মিনালের নির্মাণের খরচ ধরা হয়েছে ১৭ হাজার ৭৭৭ কোটি টাকা।

বাংলাদেশ থেকে আরও পড়ুন
মন্তব্য করুন
বিজ্ঞাপন
বিজ্ঞাপন