বিজ্ঞাপন
বিজ্ঞাপন

প্রতিষ্ঠানের সংশ্লিষ্ট কর্মকর্তারা ঠিকাদারের সঙ্গে যোগসাজশ করে বাজারদরের বাইরে মনগড়া ও ভিত্তিহীন দামে চিকিৎসা সরঞ্জাম কেনেন। এতে ১ কোটি ২৮ লাখ ৬৩ হাজার ২৪১ টাকার দুর্নীতি হয়। অভিযোগপত্রে ঠিকাদার ফাতেনূর ইসলামকে প্রথম, শেখ ইদ্রিস উদ্দিনকে দ্বিতীয় ও নিজামুর রহমান চৌধুরীকে তিন নম্বর আসামি করা হয়।

এ ছাড়া মাতৃসদন ও শিশুস্বাস্থ্য প্রশিক্ষণ প্রতিষ্ঠানের সাবেক তত্ত্বাবধায়ক ইসরাত জাহান, সাবেক অধ্যক্ষ পারভীন হক চৌধুরী, সাবেক জুনিয়র কনসালট্যান্ট মাহফুজা খাতুন, সহকারী কো-অর্ডিনেটর (ট্রেনিং অ্যান্ড রিসার্চ) চিন্ময় কান্তি দাস, সাবেক মেডিকেল অফিসার সাইফুল ইসলাম, মেডিকেল অফিসার (শিশু) বেগম মাহফুজা দিলারা আকতার, মেডিকেল অফিসার নাজরিনা বেগম ও সাবেক প্রশাসনিক কর্মকর্তা জহিরুল ইসলামকে আসামি করা হয়।

আসামিদের বিরুদ্ধে দণ্ডবিধি ৪০৯/৪২০/১০৯ ধারাসহ ১৯৪৭ সালের দুর্নীতি প্রতিরোধ আইনের ৫(২) ধারায় অভিযোগপত্র দাখিল করা হয়। তদন্ত কর্মকর্তা ও দুদকের উপপরিচালক মো. আবু বকর সিদ্দিক অভিযোগপত্র জমা দেন।

আজিমপুর মাতৃসদন ও শিশুস্বাস্থ্য প্রশিক্ষণ প্রতিষ্ঠানের কেনাকাটায় প্রায় সাড়ে পাঁচ কোটি টাকা আত্মসাতের অভিযোগে ১৭ জন চিকিৎসকসহ সংশ্লিষ্ট ঠিকাদারদের আসামি করে চারটি মামলা করে দুদক।

দুদকের উপপরিচালক মো. আবু বকর সিদ্দিক প্রথম আলোকে বলেন, চারটি মামলারই তদন্ত শেষ হয়েছে। বাকি তিন মামলার তদন্ত প্রতিবেদন অনুমোদনের জন্য জমা দেওয়া হয়েছে।

বাংলাদেশ থেকে আরও পড়ুন
মন্তব্য করুন
বিজ্ঞাপন
বিজ্ঞাপন