বিজ্ঞাপন
বিজ্ঞাপন

মাকসুদুল্লাহর স্ত্রী হাফিজা বেগমের ভাষ্য, তাঁর স্বামীকে আটকের পর তিনি অসুস্থ হয়ে পড়লে মাদকদ্রব্য নিয়ন্ত্রণ অধিদপ্তরের লোকজন তাঁকে হাসপাতালে নিয়ে যান। তাঁর স্বামীর মৃত্যুর ব্যাপারে তাঁদের পরিবারের কোনো অভিযোগ নেই। তিনি বিনা ময়নাতদন্তে স্বামীর লাশ দাফন করার জন্য লিখিত আবেদন করেছেন।

পটুয়াখালী সদর থানার ভারপ্রাপ্ত কর্মকর্তা (ওসি) মো. আক্তার মোর্শেদ বলেন, মাকসুদুল্লাহর বিরুদ্ধে সদর থানায় মাদকদ্রব্য নিয়ন্ত্রণ আইনে তিনটি মামলা ও একটি সাধারণ ডায়েরি (জিডি) আছে। এ ছাড়া ভোলাতে তাঁর বিরুদ্ধে আরেকটি মামলা আছে। আগে তাঁকে গ্রেপ্তার করা হয়েছিল।

মাকসুদুল্লাহর স্ত্রী বিনা ময়নাতদন্তে স্বামীর লাশ দাফনের জন্য লিখিত আবেদন করেছেন। তবে পুলিশ লাশ উদ্ধার করে ময়নাতদন্তের জন্য মর্গে পাঠিয়েছে। ময়নাতদন্ত শেষে লাশ পরিবারের কাছে হস্তান্তর করা হবে। এ ঘটনায় সদর থানায় একটি অপমৃত্যুর মামলা রেকর্ড করা হয়েছে।

বাংলাদেশ থেকে আরও পড়ুন
মন্তব্য করুন
বিজ্ঞাপন
বিজ্ঞাপন